কত না নদনদী পার হইয়া আসিলেন হিমালয়ের কোলে। এই স্থানে প্রত্যেক আশ্রমেই প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ।অন্য কোন দেববিগ্রহের দর্শন পাইলেন না।
কত না নদনদী পার হইয়া আসিলেন হিমালয়ের কোলে। এই স্থানে প্রত্যেক আশ্রমেই প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ।অন্য কোন দেববিগ্রহের দর্শন পাইলেন না।
দুই-একটি ছাড়া প্রায় আশ্রমের নাম অজ্ঞাত। বহু অজ্ঞাতনামা তীর্থ পর্যটন করিয়া একটি সিদ্ধাশ্রমে আসিয়া উপনীত হইলেন। বদরিকাশ্রমের সন্নিকটে একটি সিদ্ধাশ্রমের গুহার মধ্যে ভুর্জপত্রে হাতে লেখা বহু গ্রন্থ দেখিতে পাইলেন। অথচ সেই স্থানে কোন সাধু-সন্ন্যাসী দেখিতে পাইলেন না। ইহারই নাম যোগেশ্বর আশ্রম।
এই স্থানে লতাপাতার অন্ত নাই। প্রকৃতি শোভা-সমারোহে অপূর্ব। এই স্থানে ফুলের গন্ধ আছে। মন্দমধুর হাওয়া আছে।কিন্তু কোন মন্দির নাই। চারিটি প্রস্তরস্তম্ভ। তাহারই মাঝে স্ফটিক-নির্মিত বিশাল একটি শিবলিঙ্গ। তাহার দেহ হইতে স্নিগ্ধ জ্যোতি বিচ্ছুরিত হইতেছে। এই অপার্থিব আলোকচ্ছটা তাঁহাদের স্তব্ধ ও শান্ত করিয়া দিল। যোগেশ্বরের সম্মুখে উপবিষ্ট এক যোগেশ্বরী ধ্যানমৌনা।
এক মহাশক্তিশালিনী সাধিকা। তাঁহার অঙ্গে অঢেল রুপ। আলুলায়িত কুন্তলা, জটাভারে আচ্ছাদিত, গৌরবর্ণ, আয়ত শান্ত আঁখি। পবিত্রতায় উজ্জ্বল। অনিমেষ নেত্রে শিবলিঙ্গের প্রতি তাকাইয়া আছেন। দর্শকবৃন্দ এই সাধিকার নাম "গৌরী" রাখিলেন। প্রত্যহই নির্দিষ্ট সময়ে ১৩টি বনকন্যা এখানে আসিত।
তাঁহারা নানা পুষ্পসম্ভারে সজ্জিতা। তাঁহাদের হাতে ফুলের মালা, কন্ঠে উদগীত পাহাড়ি সঙ্গীত। বুঝিবার কোন উপায় ছিল না। বয়স ১১/১২ বৎসর হইবে। তাঁহারা ধীরে ধীরে অগ্রসর হইয়া শিবলিঙ্গে এবং গৌরীকে মালা পরাইত। তাঁহারা বহুক্ষন নাচিয়া-গাহিয়া আশ্রমটি মাতাইয়া রাখিত। সন্ধ্যা হইলে তাঁহারা গান গাহিতে গাহিতে যে যার আবাসে ফিরিয়া যাইত।
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
অক্টোবর ০১, ২০২৬
Rating:






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: