Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)

জয় গুরু জয় শ্রী রাম । একখানি পত্রে ঠাকুর লিখিয়াছিলেনঃ “ সত্যনারায়ণ নিৰ্ব্বংশ , তাঁর সেবক নিৰ্ব্বংশ জানিবে ।”


 

জয় গুরু জয় শ্রী রাম ।
একখানি পত্রে ঠাকুর লিখিয়াছিলেনঃ
“ সত্যনারায়ণ নিৰ্ব্বংশ ,
তাঁর সেবক নিৰ্ব্বংশ জানিবে ।”
(বেদবাণী , প্রথম খণ্ড , ৩৪৫নং)।
তাঁহার দেহ ত্যাগের কয়েক বৎসর পূর্ব্ব হইতে তিনি তাঁহার আশ্রিতবর্গের মধ্যে সত্যনারায়ণ সেবার প্রচলন করিয়াছিলেন ,
সেই সময় হইতে ঠাকুরের আশ্রিতেরা প্রায় সকলেই সত্যনারায়ণের সেবা করিয়া আসিতেছেন ,
কোন কোন গৃহে এই সেবা প্রত্যহই অনুষ্ঠিত হয় ।
সুতরাং ঠাকুরের এই কথাটি যখন ছাপার হরফে বাহির
হইয়া গেল ,
অনেকের মনেই ইহা একটা আলোড়নের সৃষ্টি করিল । সত্যনারায়ণের সেবা করিলে যদি " নিৰ্ব্বংশ " হইতে হয় ,
তাহা হইলে ঠাকুর এই সেবার প্রচলন করিলেন কেন ?
এই কথাটা লইয়া অনেকেই আমার নিকট আসিয়াছেন এবং এ বিষয়ে আমি কয়েকখানি পত্রও পাইয়াছি ।
কিন্তু সমস্যাটা জটিল নহে ,
“ নিৰ্ব্বংশ ” কথাটাকেও উপরোক্ত “ সর্বনাশ ”
কথাটার মতই বুঝিতে হইবে ।
এই " নিৰ্ব্বংশ " কথাটার সম্পর্কে ঠাকুর কখন কখন রক্তবীজের কাহিনীটির উল্লেখ করিতেন ।
অমিততেজা রক্তবীজ দৈত্যরাজ শুভের সেনাপতি ।
রক্তবীজের বিশেষত্ব ছিল এই যে , তাহার শরীর হইতে ভূমিতে রক্ত বিন্দু পতিত হইলেই পৃথিবী হইতে সর্ব্ব প্রকারে তাহার ন্যায় বলবিক্রম সম্পন্ন আর একটি অসুরের উদ্ভব হইত ।
সুতরাং রক্তবীজ যখন যুদ্ধার্থে অগ্রসর হইয়া আসিল ,
তখন দেবী এক মহাসমস্যায় পড়িলেন ।
প্রথমে রক্তবীজ গদাহস্তে ঐন্দ্রীর সহিত যুদ্ধে প্রবৃত্ত হইলেন ।
ঐন্দ্রী স্বীয় বজ্রের দ্বারা রক্তবীজকে আহত করিলেন ,
কিন্তু বজ্রাহত তদীয় দেহ হইতে রক্তস্রাব হইতে লাগিল এবং সঙ্গে সঙ্গে রক্তবিন্দুগুলি হইতে নূতন নূতন রক্তবীজ উত্থিত হইতে লাগিল ।
বৈষ্ণবী চক্রের আঘাতে রক্তবীজের দেহ ছিন্ন ভিন্ন
হইয়া গেল কিন্তু তাহার দেহের রক্ত প্রবাহ হইতে সহস্র সহস্র মহাসুরের উদ্ভব হইল ।
শেষে এমন অবস্থা হইল যে ,
রক্তবীজের রক্তসম্ভূত এই সকল মহাসুরে জগৎ পরিব্যাপ্ত হইয়া গেল ,
ইন্দ্ৰাদি দেবগণ অত্যন্ত আতঙ্কিত হইয়া-পড়িলেন ।
অবস্থা যখন এইরূপ ভয়াবহ হইয়া দাঁড়াইল ,
তখন দেবী চামুণ্ডাকে তাঁহার মুখবিবর বিস্তার করিতে বলিলেন ।
দেবীর অস্ত্রাঘাতে যে সকল অসুর নিহত হইতে লাগিল ,
চামুণ্ডা তাহাদের রক্তাক্ত দেহ নিজ মুখের মধ্যে গ্রহণ করিতে লাগিলেন ,
আর নূতন অসুর জন্মাইতে পারিল না ।
এইভাবে ক্রমে ক্ষীণরক্ত হইয়া রক্তবীজ প্রাণত্যাগ করিল ।
ঠাকুর বলিতেন যে ,
রক্তবীজ হইল বাসনার প্রতীক , বাসনা হইতেই বাসনার সৃষ্টি হয় ,
এই বাসনা-পরম্পরা কিছুতেই নিবৃত্ত হইতে চাহে না ।
কিন্তু চামুণ্ডা যেমন রক্তবীজের এক বিন্দু রক্তও মাটিতে পড়িতে না দিয়া ,
শূন্যে নিজের মুখের মধ্যে তাহা গ্রহণ করিয়া রক্তবীজের জড় মারিয়া দিলেন ,
সেইরূপ কেহ যদি শূন্যের সহিত সম্বন্ধ পাতাইয়া ধীরে ধীরে এই বাসনাগুলিকে শূন্যে মিলাইয়া দিতে পারে তাহা হইলে এই বাসনা-বংশ-পরম্পরা আর থাকে না ,
রক্তবীজের নিধন হয় এবং
" নিৰ্ব্বংশ " হওয়া যায় ।
জয় গুরু ।
জয় সত্যনারায়ণ ।
ডক্টর ইন্দুভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ।
রাম ঠাকুরের কথা ।
পৃষ্ঠা সংখ্যা ২২৯ হইতে ।
,
 
জয় গুরু জয় শ্রী রাম । একখানি পত্রে ঠাকুর লিখিয়াছিলেনঃ “ সত্যনারায়ণ নিৰ্ব্বংশ , তাঁর সেবক নিৰ্ব্বংশ জানিবে ।” জয় গুরু জয় শ্রী রাম । একখানি পত্রে ঠাকুর লিখিয়াছিলেনঃ “ সত্যনারায়ণ নিৰ্ব্বংশ , তাঁর সেবক নিৰ্ব্বংশ জানিবে ।” Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel) on এপ্রিল ০৮, ২০২৫ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.