Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)
Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)
সংসার মায়াময়, কেবল কর্ত্তৃত্বাভিমানেই মুগ্ধ। অহংপ্রাণের বৃদ্ধিই মায়াচক্রে ভ্রমণশীলতা লাভ করে। সুখ দুঃখ যাহার যাহার ভাগ্যবশতঃই লাভ হয়। শুভ অশুভ উভয়ই কৈতব প্রধান যাহা হইতে কৃষ্ণভক্তি অন্তৰ্দ্ধান হইয়া থাকে। শুভ অশুভ কৰ্ম্মই কৃষ্ণভক্তির বাধক হয়। ইচ্ছা, অনিচ্ছা জীবের অধিকার নাই, গুণ চঞ্চলতার বিবর্ণ মাত্র, অবিদ্যা কারখানা। ইচ্ছাময় অর্থাৎ যখন কোন ইচ্ছাই থাকে না সেই অবস্থায় কামগন্ধ বিন্দুমাত্রও ব্রজধামে থাকিতে পারে না, ঐসকল অহংকারের পরিকর ধরফরানি মাত্র।
আর একটি ঘটনার কথা মনে আসছে। ঠাকুরের ভক্ত অতুল বাবু কালীঘাটের পাতুরিয়া পট্টিতে থাকতেন। মাঝে মাঝেই উৎসবাদি করতেন। একদিন শ্রীশ্রীঠাকুরের পূজা উপলক্ষে ওঁদের বাড়ীতে আমারও উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ এলো। স্বয়ং শ্রীশ্রীরামঠাকুর উপস্থিত। নাম গান কীর্তনে মেতে উঠেছেন সকলে। যথা সময়ে ঠাকুরকেই ভোগ নিবেদন করতে অনুরোধ করা হলো। তখন আমিও ভক্তবৃন্দের সঙ্গে পাশের ঘরে চলে গেলাম এবং সেখানে নামকীর্তনে যোগদান করলাম।
কিছুক্ষণ পর ঠাকুর ভোগ নিবেদন করে বাইরে এসে বললেন, ' আজ ঠাকুর ঘরে বহু দেব-দেবীর আবির্ভাব হয়েছিল। তারা নৃত্য করতে করতে ফুল চারিদিকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। ' ঠাকুর খাটের উপর বসে আরও বললেন, ঠাকুরের ভাষায় --------- 'দ্যাখেন গিয়া, ভোগে আঙ্গুলের চিহ্ন রইছে। '
ভক্তবৃন্দের সঙ্গে আমারও ঠাকুর ঘরে গিয়ে ভোগ দর্শনলাভের সৌভাগ্য হয়েছিল। ভোগের উপর দেবতাদের আঙ্গুলের চিহ্ন ও নানা জায়গায় ফুল ছড়ানো দেখে আমিও নিজেকে ধন্য মনে করেছিলাম।
আনুমানিক ইং ১৯৪১ সনে কোন একদিন আমার স্বর্গীয় পিতা বলিলেন যে ঠাকুর প্রকাশ করিয়াছেন, "ক্রমশঃ কলির আবির্ভাব কাজেই ঘরে ঘরে সত্যনারায়ণ পূজা করা প্রয়োজন। " আমাদের বাড়ীতে পূর্ব্ব হইতেই সত্যনারায়ণ পূজা ও বার মাসে তেরো পার্ব্বণ প্রচলিত ছিল। সেই সময় হইতে ক্রমশঃ বাড়ী বাড়ী যার যার সামর্থ্য অনুসারে প্রতিদিন, বা মাসে কি বৎসরে একদিন করিয়া সত্যনারায়ণ পূজা আরম্ভ হইল। আমাদের সুবিধার জন্য ঠাকুর সত্যনারায়ণের বড় পাঁচালী কোন কোন জায়গায় সংশোধন করিয়াছিলেন এবং নিজ হাতে একটি সংক্ষিপ্ত আকারে সত্যনারায়ণের পাঁচালী লিখিলেন। পরে উহা ছাপান হইল এবং এরপর হইতে সর্ব্বদা ছোট পাঁচালী পাঠ করা হয় কিন্তু বিশেষ কোন উপলক্ষ্যে বড় পাঁচালী পাঠ করা হইয়া থাকে।
বেশ কয়েক বৎসর পরে ঠাকুর শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ রূপে আর এক স্বরূপ প্রকাশ করিলেন। আমাদের উপলব্ধি র জন্য ঠাকুর একবার চৌমুহনী হইতে উপেন্দ্র কুমার সাহার মারফত সত্যনারায়ণ পূজার জন্য কলিকাতার আর্ল ষ্ট্রীট -এ ঁকুঞ্জলাল মজুমদার মহাশয়ের বাড়ীতে ৫টাকা পাঠাইয়া দেন এবং সঙ্গে এক টুকরা কাগজে ঠাকুর লিখিয়াছিলেন, "সত্যনারায়ণ দয়া করিয়া তোমার সিন্নির ৫টাকা গ্রহণ করিবা। ইতি দয়াময় সত্যনারায়ণ। "তাহলে দেখা যায় কলিজীবের উদ্ধারের জন্য রামঠাকুর একাধারে শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথ ও আর একদিকে শ্রীশ্রী সত্যনারায়ণের স্বরূপ প্রকাশ করিলেন।
আজ তাঁহার কথা বলিতে যাইতেছি। দুঃখের বিষয়, তাঁহার কথা বুঝি নাই—বুঝিবার মত সামর্থ্যও নাই।সে মানুষটিকে যেমন সহজে ধরা যায় না,তাঁহার মুখের কথাও তেমন শুধু শুনিয়াই ধারণা করা যায় না। আমরা না বুঝিয়াছি সে মানুষটিকে, না বুঝিয়াছি তাঁহার কথা। যে সাধনা ও একাগ্রতা থাকিলে তাঁহার কথার নিগূঢ় তাৎপর্য্য হৃদয়ঙ্গম করা যায়—তাহা যে আমাদের নাই।যাহার বাল্যাবধি সমগ্র জীবনটাই রহস্যময় এবং সাধারণ বুদ্ধির অগম্য, তাঁহার কথার মধ্যেও যে আমাদের না বুঝিবার মত অনেক কিছু থাকিবে তাহাতে আর আশ্চর্য্য কি।কাজেই আশঙ্কা হয়, —তাঁহার কথা বলিতে গিয়া বোধহয় অজ্ঞানতাবশতঃ শেষে আমাদের কথাই বলিয়া বসিব।বুঝ না বুঝা লইয়াই বা এত কেন?
তিনি তো বলেন,—একেবারে কিছু না বুঝিতে পারাই সব চেয়ে ভালো বুঝা।অজ্ঞানই প্রকৃত জ্ঞান।
আমাদের বাংলাদেশের কোন একখানি অপ্রসিদ্ধ গ্রামে তিনি একদিন জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন বোধহয় সেই দিনটি শুভদিনই হইবে।তাঁহার জনক ও জননী উভয়েই বড় ভাল মানুষ ছিলেন। আচার, নিষ্ঠা ও ধর্ম্মপরায়ণতায় সাক্ষাৎ দেবদেবীর মত।পিতামাতা ভাল না হইলে তাঁহাদের সন্তান এমন হইবে কেন।তিনি কিন্তু শিশুকাল হইতেই যেন একটু কেমন প্রকৃতির ছিলেন। ভবিষ্যৎ জীবনে যাহা হইয়াছেন, তাহার সূচনা ছোট বেলার খেলাধুলার মধ্যেই বেশ ফুটিয়া উঠিয়াছিল।লেখাপড়ার জন্য পিতামাতার যে কতদূর উৎসাহ ছিল তাহা জানি না, তবে বালকেরও যে তেমন আগ্রহ ছিল না ইহা ধ্রুব সত্য।লোকে বলে যে,বোধোদয় পড়িবার সময়ই নাকি তাঁহার বোধের উদয় হইয়াছিল এবং সেই সঙ্গে পঠদ্দশারও অন্ত হইয়াছিল।ভোজনে ও স্নানাদি দৈহিক ব্যাপারে তাঁহার বরাবরই যথেষ্ট ঔদাসিন্য ছিল কিন্তু খেলাধূলায় মনোযোগের বিশেষ অভাব ছিল বলিয়া শুনা যায় না।
'তাঁহার কথা'
ঁপ্রভাতচন্দ্র চক্রবর্ত্তী
(কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতপূর্ব আশুতোষ অধ্যাপক)
শতবার্ষিকী স্মারক গ্রন্থ
চলমান অংশ ১....
****************************
জয়রাম জয় গোবিন্দ
বেদবাণী ২য় খন্ড ৬৯ নং পত্রাংশ
স্বীয় প্রকৃতির অংশে পরিতৃপ্ত থাকিতে পারিলে ভাগ্যফল মুক্ত হইয়া অভিযোগ সত্যকে পাইয়া থাকে।
Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)
কোন মন্তব্য নেই: