Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)

শ্রীশ্রী রামঠাকুরের " সত্যনারায়ণ " রূপে আবির্ভাব কিরূপে ? ( সংক্ষেপে ) শ্রীঠাকুর এক সময় বললেন --- " যদি কোলকাতাতে এমন একটি বাড়ি পাওয়া যায় যে উহা --- ১) একটি বড় রাস্তার উপর হবে এবং নামে পাঁচ অক্ষর থাকবে । ২) বাড়ির পার্শে পার্ক থাকবে । ৩) বাড়ির মধ্যে আঙ্গিনা থাকবে । ৪) বাড়ি থেকে ট্রাম লাইন দূরে থাকবে । ৫) বাড়িওয়ালা খুব খারাপ লোক হবে না , আমাকে চিনবে না , তবে মাঝে মাঝে একটু সেবাযত্ন ও খোঁজ খবর নিবে ।" শ্রীশ্রী ঠাকুরের ভক্ত মাধব চন্দ্র মজুমদার ও অক্ষয় কুমার মজুমদার " আরল স্ট্রীটে " ঐ লক্ষণযুক্ত বাড়ির নীচতলা ভাড়ার সন্ধান পেয়ে , শ্রীঠাকুরের জন্য বাড়িটি ভাড়া করলেন । ঐ বাড়ির মালিক শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার , তিনি শ্রীশ্রী ভোলানন্দগিরি মহারাজ এর মন্ত্রদীক্ষিত শিষ্য ছিলেন । পরে শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার শ্রী রামঠাকুরের দর্শন লাভ করে ঠাকুরের প্রতি খুব অনুরক্ত হয়ে পড়েন । শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার এর বাড়িতে নির্দিষ্ট দিনে রাত্রি ৩টায় শুভক্ষণে শ্রী ঠাকুর ঐ বাড়িতে পদার্পণ করলেন । শ্রী কুঞ্জলাল বাবু নীচতালার বদলে দোতলায় একটি ঘর ছেড়ে দিলেন । ১৯৪২ সালের গোড়ার দিকে শ্রীশ্রী ঠাকুর ঐ বাড়িতে এক নাগাড়ে পাঁচ ছয় মাস ছিলেন । ঐ সময় শ্রীঠাকুর একখানা গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা খুলে সব সময় সত্যনারায়ণের পাঁচালী পাঠ করতেন , আর মাঝে মাঝে বলতেন -- " কলিকালে সত্যনারায়ণ জাগ্রত । সত্যনারায়ণের সেবা ছাড়া জীবের মুক্তি নাই , আপনারা সকলে সত্যনারায়ণের সেবা করেন " । " জয়রাম " শ্রী বিশ্বনাথ চক্রবর্ত্তী " কুইজ অন্ শ্রীরাম ঠাকুর " পৃষ্টা সংখ্যা ৩১ হইতে ।

 শ্রীশ্রী রামঠাকুরের " সত্যনারায়ণ " রূপে আবির্ভাব কিরূপে ? ( সংক্ষেপে )

শ্রীঠাকুর এক সময় বললেন --- " যদি কোলকাতাতে এমন একটি বাড়ি পাওয়া যায় যে উহা --- ১) একটি বড় রাস্তার উপর হবে এবং নামে পাঁচ অক্ষর থাকবে । ২) বাড়ির পার্শে পার্ক থাকবে । ৩) বাড়ির মধ্যে আঙ্গিনা থাকবে । ৪) বাড়ি থেকে ট্রাম লাইন দূরে থাকবে । ৫) বাড়িওয়ালা খুব খারাপ লোক হবে না , আমাকে চিনবে না , তবে মাঝে মাঝে একটু সেবাযত্ন ও খোঁজ খবর নিবে ।" শ্রীশ্রী ঠাকুরের ভক্ত মাধব চন্দ্র মজুমদার ও অক্ষয় কুমার মজুমদার " আরল স্ট্রীটে " ঐ লক্ষণযুক্ত বাড়ির নীচতলা ভাড়ার সন্ধান পেয়ে , শ্রীঠাকুরের জন্য বাড়িটি ভাড়া করলেন । ঐ বাড়ির মালিক শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার , তিনি শ্রীশ্রী ভোলানন্দগিরি মহারাজ এর মন্ত্রদীক্ষিত শিষ্য ছিলেন । পরে শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার শ্রী রামঠাকুরের দর্শন লাভ করে ঠাকুরের প্রতি খুব অনুরক্ত হয়ে পড়েন । শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার এর বাড়িতে নির্দিষ্ট দিনে রাত্রি ৩টায় শুভক্ষণে শ্রী ঠাকুর ঐ বাড়িতে পদার্পণ করলেন । শ্রী কুঞ্জলাল বাবু নীচতালার বদলে দোতলায় একটি ঘর ছেড়ে দিলেন । ১৯৪২ সালের গোড়ার দিকে শ্রীশ্রী ঠাকুর ঐ বাড়িতে এক নাগাড়ে পাঁচ ছয় মাস ছিলেন । ঐ সময় শ্রীঠাকুর একখানা গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা খুলে সব সময় সত্যনারায়ণের পাঁচালী পাঠ করতেন , আর মাঝে মাঝে বলতেন -- " কলিকালে সত্যনারায়ণ জাগ্রত । সত্যনারায়ণের সেবা ছাড়া জীবের মুক্তি নাই , আপনারা সকলে সত্যনারায়ণের সেবা করেন " । " জয়রাম " শ্রী বিশ্বনাথ চক্রবর্ত্তী " কুইজ অন্ শ্রীরাম ঠাকুর " পৃষ্টা সংখ্যা ৩১ হইতে ।

শ্রীশ্রী রামঠাকুরের " সত্যনারায়ণ " রূপে আবির্ভাব কিরূপে ? ( সংক্ষেপে ) শ্রীঠাকুর এক সময় বললেন --- " যদি কোলকাতাতে এমন একটি বাড়ি পাওয়া যায় যে উহা --- ১) একটি বড় রাস্তার উপর হবে এবং নামে পাঁচ অক্ষর থাকবে । ২) বাড়ির পার্শে পার্ক থাকবে । ৩) বাড়ির মধ্যে আঙ্গিনা থাকবে । ৪) বাড়ি থেকে ট্রাম লাইন দূরে থাকবে । ৫) বাড়িওয়ালা খুব খারাপ লোক হবে না , আমাকে চিনবে না , তবে মাঝে মাঝে একটু সেবাযত্ন ও খোঁজ খবর নিবে ।" শ্রীশ্রী ঠাকুরের ভক্ত মাধব চন্দ্র মজুমদার ও অক্ষয় কুমার মজুমদার " আরল স্ট্রীটে " ঐ লক্ষণযুক্ত বাড়ির নীচতলা ভাড়ার সন্ধান পেয়ে , শ্রীঠাকুরের জন্য বাড়িটি ভাড়া করলেন । ঐ বাড়ির মালিক শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার , তিনি শ্রীশ্রী ভোলানন্দগিরি মহারাজ এর মন্ত্রদীক্ষিত শিষ্য ছিলেন । পরে শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার শ্রী রামঠাকুরের দর্শন লাভ করে ঠাকুরের প্রতি খুব অনুরক্ত হয়ে পড়েন । শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার এর বাড়িতে নির্দিষ্ট দিনে রাত্রি ৩টায় শুভক্ষণে শ্রী ঠাকুর ঐ বাড়িতে পদার্পণ করলেন । শ্রী কুঞ্জলাল বাবু নীচতালার বদলে দোতলায় একটি ঘর ছেড়ে দিলেন । ১৯৪২ সালের গোড়ার দিকে শ্রীশ্রী ঠাকুর ঐ বাড়িতে এক নাগাড়ে পাঁচ ছয় মাস ছিলেন । ঐ সময় শ্রীঠাকুর একখানা গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা খুলে সব সময় সত্যনারায়ণের পাঁচালী পাঠ করতেন , আর মাঝে মাঝে বলতেন -- " কলিকালে সত্যনারায়ণ জাগ্রত । সত্যনারায়ণের সেবা ছাড়া জীবের মুক্তি নাই , আপনারা সকলে সত্যনারায়ণের সেবা করেন " । " জয়রাম " শ্রী বিশ্বনাথ চক্রবর্ত্তী " কুইজ অন্ শ্রীরাম ঠাকুর " পৃষ্টা সংখ্যা ৩১ হইতে । শ্রীশ্রী রামঠাকুরের " সত্যনারায়ণ " রূপে আবির্ভাব কিরূপে ?      ( সংক্ষেপে )  শ্রীঠাকুর এক সময় বললেন ---  " যদি কোলকাতাতে এমন একটি বাড়ি পাওয়া যায় যে উহা --- ১) একটি বড় রাস্তার উপর হবে এবং নামে পাঁচ অক্ষর থাকবে । ২) বাড়ির পার্শে পার্ক থাকবে । ৩) বাড়ির মধ্যে আঙ্গিনা থাকবে । ৪) বাড়ি থেকে ট্রাম লাইন দূরে থাকবে । ৫) বাড়িওয়ালা খুব খারাপ লোক হবে না , আমাকে চিনবে না , তবে মাঝে মাঝে একটু সেবাযত্ন ও  খোঁজ খবর নিবে ।"  শ্রীশ্রী ঠাকুরের ভক্ত মাধব চন্দ্র মজুমদার ও অক্ষয় কুমার মজুমদার " আরল স্ট্রীটে " ঐ লক্ষণযুক্ত  বাড়ির নীচতলা ভাড়ার সন্ধান পেয়ে ,  শ্রীঠাকুরের জন্য বাড়িটি ভাড়া করলেন ।  ঐ বাড়ির মালিক শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার ,  তিনি শ্রীশ্রী ভোলানন্দগিরি মহারাজ এর মন্ত্রদীক্ষিত  শিষ্য ছিলেন ।  পরে শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার শ্রী রামঠাকুরের দর্শন লাভ  করে ঠাকুরের প্রতি খুব অনুরক্ত হয়ে পড়েন ।   শ্রী কুঞ্জলাল মজুমদার এর বাড়িতে নির্দিষ্ট দিনে রাত্রি ৩টায় শুভক্ষণে শ্রী ঠাকুর ঐ বাড়িতে পদার্পণ করলেন ।   শ্রী কুঞ্জলাল বাবু নীচতালার বদলে দোতলায় একটি  ঘর ছেড়ে দিলেন । ১৯৪২ সালের গোড়ার দিকে শ্রীশ্রী ঠাকুর ঐ বাড়িতে এক নাগাড়ে পাঁচ ছয় মাস ছিলেন ।  ঐ সময় শ্রীঠাকুর একখানা গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা খুলে সব  সময় সত্যনারায়ণের পাঁচালী পাঠ করতেন ,  আর মাঝে মাঝে বলতেন --  " কলিকালে সত্যনারায়ণ জাগ্রত ।  সত্যনারায়ণের সেবা ছাড়া জীবের মুক্তি নাই ,   আপনারা সকলে সত্যনারায়ণের সেবা করেন " ।             " জয়রাম "  শ্রী বিশ্বনাথ চক্রবর্ত্তী " কুইজ অন্ শ্রীরাম ঠাকুর "   পৃষ্টা সংখ্যা ৩১ হইতে । Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel) on জুন ০৪, ২০২৪ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.