Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)

সেই অনুযায়ী পাঁচখানা টিকিট কিনে নেওয়া হয়েছিল । অথচ গেট পার হলাম আট জন । বাকী তিনজনের টিকিট কখন কেনা হল ? : - - শ্রীশ্রী রামঠাকুর ।

 সেই অনুযায়ী পাঁচখানা টিকিট কিনে নেওয়া হয়েছিল ।

অথচ গেট পার হলাম আট জন ।
বাকী তিনজনের টিকিট কখন কেনা হল ?
: - - শ্রীশ্রী রামঠাকুর ।
জয় গুরু জয় রাম
গুরু কৃপাহি কেবলম ।


ঘটনাটি সংক্ষেপে ।
পুরিগামী প্রথম ট্রেনটির কামরায় গিয়ে বসলেন ঠাকুর মহাশয় , শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায় , বামাচরণ দে , সুধীর সরখেল ও প্রভাত চক্রবর্ত্তী মহাশয় ।
ষ্টেশনে ঠাকুর মহাশয়ের আশ্রিতদের একটু ভিড় জমে ছিল ।
ট্রেনটি আস্তে আস্তে চলতে আরম্ভ করল ।
বামাচরণ বাবু তিন জনকে চলন্ত ট্রেনে হাত বাড়িয়ে
তুললেন কামরায় ।
জানালা দিয়ে চেঁচিয়ে বললেন , ওরা তাদের সঙ্গে যাচ্ছেন , ফিরবেনও তাদের সঙ্গেই , সংবাদটা যেন তাদের
বাড়ীতে পৌঁছায় ।
ঠাকুর মহাশয়কে নিয়ে তারা আট জন নেমে পড়লেন
পুরী ষ্টেশনে ।
গত রাত্রিতে বামাচরণ বাবু একটা ট্যাক্সি ভাড়া করে রেখেছিলেন আজ সকালের জন্য ।
ষ্টেশন ছাড়ার পরে বামাচরণ বাবু প্রয়াস করেছিলেন
ঠাকুর মহাশয়কে ট্যাক্সিতে তুলতে ।
কিন্তু পথে নেমেই ঠাকুর মহাশয় অতি দ্রুত চলতে লাগলেন ।
সকলেই তাঁর অনুগমন করছেন , কিন্তু অত চেষ্টা করেও তারা কেউ ঠাকুর মহাশয়ের কাছাকাছি হতে পারছেন না ।
ঠাকুর মহাশয়কে দীর্ঘদিন ধরে যারা দেখেছেন ,
তাদের কাছে এটা অজানা নয় ।
বালিষ্ট তরুণ তাঁর কাছে হাঁটতে হার মেনেছে বারবার ।
এপথ সেপথ ঘোরাঘোরির পর ঠাকুর মহাশয়কে দেখা গেলে নির্দিষ্ট বাস বাটিতে প্রবেশ করতে ।
পেছন পেছন সকলে সেই বাড়িতে ঢুকলো ।
ঠাকুর মহাশয় নির্দিষ্ট ঘরে প্রবেশ করে ভিতরের খিল বন্ধ
করে দিয়েছেন ।




সুতরাং সেই বন্ধ দরজায় সকলে মিলে আকুল হয়ে যতবারই ঠাকুর মহাশয়কে ডাকুন না কেন সেই বন্ধ দরজা খুলল না ।
আর শুনাও গেল না মধুক্ষরা সেই কণ্ঠের সাদর আহ্বান, আসেন , আসেন ।
সকলে মিলে ঠাকুর ঘরের জানালার কাছে দাঁড়াবার জন্য প্রস্তুত হইলেন কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন ঐ ঘরের জানালা কয়টি ভিতর থেকে বন্ধ ।
নিরুপায় হয়ে সকলে ঠাকুর মহাশয়ের পাশের ঘরের মেঝেতে গিয়ে বসে পড়লেন ।
একটা বড় রকমের ত্রুটি নিশ্চিত ঘটেছে ।
সেইজন্য তো ঠাকুর মহাশয় এত ক্ষুব্ধ , এত বিরক্ত ।
কিন্তু কারণটা কি ?
কেউই খুঁজে পাচ্ছেন না ।
দীর্ঘদিন সঙ্গ লাভ করেছেন ,
পেয়েছেন পিতার স্নেহ ভালবাসা ।
কিন্তু আজ কোন্ অপরাধে এমন দুর্দিন নেমে এল তার হদিস পাচ্ছেন না কেহই ।
ঘন্টা খানেক এই নিয়ে তারা আলোচনায় মগ্ন ছিলেন ।
ঠাকুর মহাশয়ের শয়ন ঘরের দরজা খোলার একটু শব্দ হইল ।
উৎকর্ণ হয়ে সাত জনেই ছিলেন ।
ঠাকুর মহাশয় দ্রুত চরণে তাদের অতিক্রম করে রাস্তায়
গিয়ে নামলেন ।
পিছন পিছন তারা যে আসছিলেন জানতে পেরেই ঠাকুর মহাশয় বললেন ,
না- না , আমার সঙ্গে কেউই না ।
রৌদ্রঢালা পথে ঠাকুর মহাশয় একাকী চলে গেলেন ।
ক্ষুন্ন মনে ফিরে এসে সকলেই এসে বসলেন যে জার জায়গায় ।
পুনরায় একই প্রশ্ন , তাদের কোথায় ভূল , কোথায় ত্রুটি ?
বেলা দুটোর সময় ঠাকুর মহাশয় ফিরে এলেন ।
এবার ঠাকুর মহাশয়ের মুখে চোখে বেদনা বা
বিরক্তির চিহ্ন নাই ।
নিজেই বসে পড়লেন তাদের সামনে ।
স্নেহ সুধা ভরা কণ্ঠে বললেন ,
সকাল থেইক্যা একটু চা পর্য্যন্তও তো খান নাই আপনেরা ।
প্রভাত চক্রবর্ত্তী মহাশয় বললেন ,
খুনী আসামীও বিচারালয়ে তার পক্ষে কথা বলার সুযোগ পায় ,
আর আমরা কি অন্যায় করলাম তাও জানতে পারলাম না ।
আমরা অপরাধ প্রতি মুহূর্তেই করে থাকি ,
সেটা আপনি ভাল জানেন ।
এবার করজোড়ে প্রভাত চক্রবর্ত্তী ঠাকুর মহাশয়ের কাছে জানতে চাইলেন , তাদের অপরাধটা কি ?
যদি দয়া করিয়া বলেন ।
গতিক দেখে একজন উঠে গেলেন কলতলায় ।
তিনি বুঝেছিলেন ,
এই বেলায় অন্ন ঠাকুর মহাশয় আর তাদের জন্য মাপেন নাই ।
অন্ততপক্ষে স্নানটা তো সমাপন করে রাখা উচিৎ ।
তাই তিনি জল ঢালছিলেন নিজের মাথায় ।
ঠাকুর মহাশয়ের কাছে অপরাধের কথা শুনেই অন্য একজন ছুটে গিয়েছেন কলতলায় ।
সেখান থেকে স্নানরত ভদ্রলোককে নিয়ে এলেন ।
ভদ্রলোকটি কোনরূপে কাপড়ের জল নিংড়ে সিক্ত দেহে এসে লুটিয়ে পড়লেন শ্রী ঠাকুরের চরণে ।
ঠাকুর মহাশয় বললেন ,
পূর্বে তো স্থির ছিল তারা পাঁচজন পুরীতে আসবেন এবং সেই অনুযায়ী পাঁচখানা টিকিট কিনে নেওয়া হয়েছিল ।
অথচ গেট পার হলাম আটজন ।
বাকী তিনজনের টিকিট কখন কেনা হল ?
কখন জমা দিলেন জরিমানা ?
মুক্ত কণ্ঠে স্বীকার করলেন যে চেকার সকলেই চেনাশোনা ।
এই অপকর্ম শুধু আজই করিনি , পূর্বে বহুবার করেছি । উপস্থিতি কারোও আর বুঝতে বিলম্ব হল না ।
কারণ হল রেল কোম্পানিকে বঞ্চনা করা ।
ভদ্রলোকটি একটা সাইকেল ভাড়া করে চলে গেলেন
পুরী ষ্টেশনে রেল কোম্পানির প্রাপ্য মাশুল জমা দিতে ।
ঘন্টাখানেক পরে রসিদ নিয়ে ফিরে এলেন ঐ ভদ্রলোক , রাখলেন ঠাকুর মহাশয়ের চরণে ।
প্রণাম করে বললেন ,
আপনেরা সকলেই দেখে নিন যে টাকা ঠিক ঠিক
জমা পড়েছে কিনা ।
তারপর ঠাকুর মহাশয় বলে দিলেন ,
জগন্নাথ মন্দিরের কাছে এক দোকানে ভালো মালাই তৈরী হয় , সেখান থেকে মালাই আর ছানার মুড়কি আনবেন ।
মালাই , মুড়কি এলো ।
হাত ধুইয়ে একজন খানিকটা মালাই আর মুড়কি ঠাকুর মহাশয়ের সামনে রাখলেন ।
বাকীটা সকলে সমভাবে বন্টন করে খেলেন ।
জয় রাম ।
ফনিভূষণ চক্রবর্ত্তী।
শ্রুতিতে রামঠাকুর ।
পৃষ্ঠা সংখ্যা ১১০ ,১১১ ,১১২ , ১১৩ হইতে ।

সেই অনুযায়ী পাঁচখানা টিকিট কিনে নেওয়া হয়েছিল । অথচ গেট পার হলাম আট জন । বাকী তিনজনের টিকিট কখন কেনা হল ? : - - শ্রীশ্রী রামঠাকুর । সেই অনুযায়ী পাঁচখানা টিকিট কিনে নেওয়া হয়েছিল ।  অথচ গেট পার হলাম আট জন ।   বাকী তিনজনের টিকিট কখন কেনা হল ?   : - -  শ্রীশ্রী রামঠাকুর । Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel) on মার্চ ২৫, ২০২৪ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.