জ্ঞানযোগ|গীতা চতুর্থ অধ্যায়|Bangla GitaChapter4|Bhagavad Gita in Bengali@Srimadbhagavadgitayathayath
জ্ঞানযোগ|গীতা চতুর্থ অধ্যায়|Bangla GitaChapter4|Bhagavad Gita in Bengali@Srimadbhagavadgitayathayath
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা — চতুর্থ অধ্যায়
জ্ঞানযোগ | জ্ঞান-কর্ম-সন্ন্যাস যোগ
ॐ श्री परमात्मने नमः।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার চতুর্থ অধ্যায়ের নাম জ্ঞান-কর্ম-সন্ন্যাস যোগ। এই অধ্যায়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে কর্ম, জ্ঞান, অবতারতত্ত্ব, যজ্ঞ এবং আত্মোপলব্ধির গভীর শিক্ষা দিয়েছেন। মোট ৪২টি শ্লোকে তিনি বুঝিয়েছেন কীভাবে যথার্থ জ্ঞান মানুষের অজ্ঞানতা ও সংশয় দূর করে এবং তাকে মুক্তির পথে পরিচালিত করে।
মূল শিক্ষা: কর্তব্যকর্ম সম্পাদন করো, কর্মফলের প্রতি আসক্ত হয়ো না এবং শ্রদ্ধা, সংযম ও জ্ঞানের মাধ্যমে সত্যকে উপলব্ধি করো।
প্রথম পর্ব: যোগের প্রাচীন পরম্পরা ও অবতারতত্ত্ব (শ্লোক ১–১০)
শ্লোক ১
বাংলা অর্থ: ভগবান বললেন—আমি এই অবিনাশী যোগ বিবস্বানকে উপদেশ দিয়েছিলাম। বিবস্বান মনুকে বলেছিলেন এবং মনু ইক্ষ্বাকুকে এই জ্ঞান প্রদান করেছিলেন।
শ্লোক ২
বাংলা অর্থ: এইভাবে পরম্পরায় প্রাপ্ত হয়ে রাজর্ষিরা এই যোগতত্ত্ব জানতেন। কিন্তু দীর্ঘকাল অতিবাহিত হওয়ায় সেই যোগজ্ঞান পৃথিবীতে লুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।
শ্লোক ৩
বাংলা অর্থ: তুমি আমার ভক্ত ও সখা, তাই আজ আমি তোমাকে সেই প্রাচীন যোগের কথা বললাম। এটি অত্যন্ত উৎকৃষ্ট ও গভীর রহস্য।
ভালোবাসা আসলে কী? শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ৭টি শ্লোক থেকে ভালোবাসার প্রকৃত শিক্ষা
শ্লোক ৪
বাংলা অর্থ: অর্জুন বললেন—আপনার জন্ম তো বিবস্বানের জন্মের পরে। তাহলে কীভাবে বুঝব যে আপনি সৃষ্টির আদিতে তাঁকে এই যোগ উপদেশ দিয়েছিলেন?
শ্লোক ৫
বাংলা অর্থ: ভগবান বললেন—হে অর্জুন, আমার ও তোমার বহু জন্ম অতীত হয়েছে। আমি সেই সমস্ত জন্মের কথা জানি, কিন্তু তুমি তা জানো না।
শ্লোক ৬
বাংলা অর্থ: আমি জন্মরহিত, অবিনাশী এবং সমস্ত জীবের ঈশ্বর হয়েও নিজের প্রকৃতিকে অধিষ্ঠান করে আত্মমায়ার দ্বারা প্রকাশিত হই।
শ্লোক ৭
বাংলা অর্থ: হে ভারত, যখনই ধর্মের অবনতি এবং অধর্মের উত্থান ঘটে, তখনই আমি নিজেকে প্রকাশ করি।
শ্লোক ৮
বাংলা অর্থ: সাধুদের রক্ষা, দুষ্কর্মকারীদের বিনাশ এবং ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য আমি যুগে যুগে আবির্ভূত হই।
শ্লোক ৯
বাংলা অর্থ: হে অর্জুন, যে ব্যক্তি আমার দিব্য জন্ম ও কর্মের প্রকৃত তত্ত্ব জানে, দেহত্যাগের পরে সে পুনর্জন্ম লাভ করে না; সে আমাকে প্রাপ্ত হয়।
শ্লোক ১০
বাংলা অর্থ: আসক্তি, ভয় ও ক্রোধ ত্যাগ করে, আমার প্রতি একনিষ্ঠ হয়ে এবং জ্ঞানরূপ তপস্যায় পবিত্র হয়ে বহু মানুষ আমার স্বরূপ লাভ করেছেন।
দ্বিতীয় পর্ব: কর্ম, কর্তব্য ও কর্মের রহস্য (শ্লোক ১১–২০)
শ্লোক ১১
বাংলা অর্থ: হে পার্থ, মানুষ যেভাবে আমার আশ্রয় গ্রহণ করে, আমি সেইভাবেই তাদের অনুগ্রহ করি। সকল মানুষ নানা পথে আমারই পথ অনুসরণ করে।
শ্লোক ১২
বাংলা অর্থ: যারা কর্মের ফললাভ কামনা করে, তারা দেবতাদের উপাসনা করে। মানুষের জগতে কর্মজাত ফল দ্রুত লাভ করা যায়।
শ্লোক ১৩
বাংলা অর্থ: গুণ ও কর্মের বিভাগ অনুসারে চার বর্ণের ব্যবস্থা আমার দ্বারা সৃষ্ট। তবুও আমাকে এর কর্তা হয়েও অবিনাশী অকর্তা বলে জানবে।
শ্লোক ১৪
বাংলা অর্থ: কর্ম আমাকে আবদ্ধ করে না এবং কর্মফলের প্রতিও আমার আকাঙ্ক্ষা নেই। যে এই তত্ত্ব উপলব্ধি করে, সে কর্মের দ্বারা আবদ্ধ হয় না।
শ্লোক ১৫
বাংলা অর্থ: পূর্ববর্তী মুক্তিকামী ব্যক্তিরাও এই তত্ত্ব জেনে কর্ম করেছেন। অতএব তুমিও প্রাচীন মহাপুরুষদের মতো কর্তব্যকর্ম সম্পাদন করো।
শ্লোক ১৬
বাংলা অর্থ: কোনটি কর্ম এবং কোনটি অকর্ম—এই বিষয়ে জ্ঞানীরাও বিভ্রান্ত হন। তাই আমি তোমাকে কর্মের তত্ত্ব বলব, যা জানলে তুমি অশুভ থেকে মুক্ত হবে।
শ্লোক ১৭
বাংলা অর্থ: কর্ম, বিকর্ম এবং অকর্ম—এই তিনটির প্রকৃত স্বরূপ জানা প্রয়োজন। কর্মের গতি অত্যন্ত গভীর ও দুর্বোধ্য।
শ্লোক ১৮
বাংলা অর্থ: যে কর্মের মধ্যে অকর্ম এবং অকর্মের মধ্যে কর্ম দেখতে পারে, মানুষের মধ্যে সেই প্রকৃত জ্ঞানী। সে যোগযুক্ত এবং কর্মের তত্ত্ব উপলব্ধিকারী।
শ্লোক ১৯
বাংলা অর্থ: যার সকল কর্মারম্ভ কামনা ও স্বার্থপর সংকল্প থেকে মুক্ত এবং যার কর্ম জ্ঞানাগ্নিতে দগ্ধ হয়েছে, জ্ঞানীরা তাঁকে প্রকৃত পণ্ডিত বলেন।
শ্লোক ২০
বাংলা অর্থ: যে কর্মফলের আসক্তি ত্যাগ করেছে, সর্বদা আত্মতৃপ্ত এবং বাহ্যিক নির্ভরতা থেকে মুক্ত, কর্মে নিযুক্ত থেকেও সে প্রকৃত অর্থে কর্মবন্ধনে আবদ্ধ হয় না।
তৃতীয় পর্ব: অনাসক্ত কর্ম ও যজ্ঞের প্রকৃত অর্থ (শ্লোক ২১–৩০)
শ্লোক ২১
বাংলা অর্থ: যে আকাঙ্ক্ষাহীন, মন ও আত্মসংযমে প্রতিষ্ঠিত এবং সকল সঞ্চয়-আসক্তি ত্যাগ করেছে, সে কেবল শরীরধারণের প্রয়োজনীয় কর্ম করেও পাপবন্ধনে আবদ্ধ হয় না।
শ্লোক ২২
বাংলা অর্থ: যে স্বতঃপ্রাপ্তিতে সন্তুষ্ট, সুখ-দুঃখের দ্বন্দ্ব অতিক্রম করেছে, ঈর্ষামুক্ত এবং সাফল্য-ব্যর্থতায় সমভাবাপন্ন, কর্ম করেও সে আবদ্ধ হয় না।
শ্লোক ২৩
বাংলা অর্থ: আসক্তিমুক্ত, মুক্তচিত্ত ও জ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি যজ্ঞভাব নিয়ে কর্ম করলে তার সমস্ত কর্মবন্ধন বিলীন হয়।
শ্লোক ২৪
বাংলা অর্থ: অর্পণের উপকরণ ব্রহ্ম, আহুতিও ব্রহ্ম, ব্রহ্মরূপ অগ্নিতে ব্রহ্মের দ্বারাই আহুতি দেওয়া হয়। ব্রহ্মকর্মে সমাহিত ব্যক্তি ব্রহ্মকেই লাভ করেন।
শ্লোক ২৫
বাংলা অর্থ: কোনো কোনো যোগী দেবতাদের উদ্দেশ্যে যজ্ঞ করেন; আবার অন্য যোগীরা ব্রহ্মরূপ অগ্নিতে যজ্ঞভাবেই আত্মনিবেদন করেন।
শ্লোক ২৬
বাংলা অর্থ: কেউ কেউ শ্রবণ প্রভৃতি ইন্দ্রিয়কে সংযমরূপ অগ্নিতে আহুতি দেন; আবার কেউ শব্দাদি বিষয়কে ইন্দ্রিয়রূপ অগ্নিতে নিবেদন করেন।
শ্লোক ২৭
বাংলা অর্থ: অন্য সাধকেরা জ্ঞানপ্রদীপ্ত আত্মসংযমের যোগাগ্নিতে সমস্ত ইন্দ্রিয়কর্ম ও প্রাণের ক্রিয়াকে নিবেদন করেন।
শ্লোক ২৮
বাংলা অর্থ: কেউ দ্রব্যযজ্ঞ, কেউ তপস্যাযজ্ঞ, কেউ যোগযজ্ঞ এবং কেউ স্বাধ্যায় ও জ্ঞানযজ্ঞ পালন করেন। তাঁরা দৃঢ়ব্রত সাধক।
শ্লোক ২৯
বাংলা অর্থ: কেউ অপানে প্রাণকে এবং প্রাণে অপানকে নিবেদন করেন। আবার কেউ প্রাণ ও অপানের গতি নিয়ন্ত্রণ করে প্রাণায়ামে নিয়োজিত থাকেন।
শ্লোক ৩০
বাংলা অর্থ: অন্যরা নিয়ন্ত্রিত আহার গ্রহণ করে প্রাণকে প্রাণে নিবেদন করেন। এই সকল সাধক যজ্ঞের তত্ত্ব জানেন এবং যজ্ঞের মাধ্যমে পাপক্ষয় সাধন করেন।
চতুর্থ পর্ব: জ্ঞানযজ্ঞ ও জ্ঞানলাভের উপায় (শ্লোক ৩১–৪২)
শ্লোক ৩১
বাংলা অর্থ: যজ্ঞের অবশিষ্ট অমৃত গ্রহণকারীরা শাশ্বত ব্রহ্ম লাভ করেন। হে কুরুশ্রেষ্ঠ, যজ্ঞবর্জিত ব্যক্তির এই জগতে প্রকৃত কল্যাণ নেই, পরলোকের কথা তো দূরের।
শ্লোক ৩২
বাংলা অর্থ: এভাবে ব্রহ্মের মুখে নানা ধরনের যজ্ঞের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। এগুলিকে কর্মজাত বলে জানবে; এই তত্ত্ব উপলব্ধি করে তুমি মুক্তি লাভ করবে।
শ্লোক ৩৩
বাংলা অর্থ: হে পরন্তপ, দ্রব্যময় যজ্ঞের তুলনায় জ্ঞানযজ্ঞ শ্রেষ্ঠ। কারণ, হে পার্থ, সমস্ত কর্মের পরিণতি জ্ঞানের মধ্যেই ঘটে।
শ্লোক ৩৪
বাংলা অর্থ: বিনয়, আন্তরিক প্রশ্ন এবং সেবার মাধ্যমে সেই জ্ঞান লাভ করো। তত্ত্বদর্শী জ্ঞানীরা তোমাকে সেই জ্ঞান উপদেশ দেবেন।
শ্লোক ৩৫
বাংলা অর্থ: হে পাণ্ডব, এই জ্ঞান লাভ করলে তুমি আর এমন মোহে পড়বে না। এর দ্বারা সমস্ত জীবকে প্রথমে নিজের মধ্যে এবং পরে আমার মধ্যে উপলব্ধি করবে।
শ্লোক ৩৬
বাংলা অর্থ: তুমি যদি সকল পাপীর চেয়েও বড় পাপী হও, তবুও জ্ঞানরূপ নৌকার সাহায্যে সমস্ত পাপ ও দুঃখের সাগর অতিক্রম করতে পারবে।
শ্লোক ৩৭
বাংলা অর্থ: হে অর্জুন, প্রজ্বলিত আগুন যেমন কাঠকে ভস্ম করে, তেমনি জ্ঞানাগ্নি সমস্ত কর্মবন্ধনকে ভস্ম করে।
শ্লোক ৩৮
বাংলা অর্থ: এই জগতে জ্ঞানের মতো পবিত্রকারী আর কিছু নেই। যোগে সিদ্ধ ব্যক্তি যথাসময়ে নিজের অন্তরে সেই জ্ঞান উপলব্ধি করেন।
শ্লোক ৩৯
বাংলা অর্থ: শ্রদ্ধাবান, সাধনায় একনিষ্ঠ এবং ইন্দ্রিয়সংযমী ব্যক্তি জ্ঞান লাভ করেন। জ্ঞানলাভের পর তিনি অচিরেই পরম শান্তি অর্জন করেন।
শ্লোক ৪০
বাংলা অর্থ: অজ্ঞ, শ্রদ্ধাহীন ও সংশয়গ্রস্ত ব্যক্তি অধঃপতিত হয়। সংশয়গ্রস্ত মানুষের জন্য এই জগতে, পরলোকে কিংবা প্রকৃত সুখে প্রতিষ্ঠা লাভ করা কঠিন।
শ্লোক ৪১
বাংলা অর্থ: হে ধনঞ্জয়, যে যোগের দ্বারা কর্মফলের আসক্তি ত্যাগ করেছে, জ্ঞানের দ্বারা সংশয় ছিন্ন করেছে এবং আত্মসংযমে প্রতিষ্ঠিত, কর্ম তাকে আবদ্ধ করতে পারে না।
শ্লোক ৪২
বাংলা অর্থ: অতএব, হে ভারত, হৃদয়ে অবস্থানকারী অজ্ঞানজাত সংশয়কে নিজের জ্ঞানরূপ তলোয়ার দিয়ে ছিন্ন করো। যোগে প্রতিষ্ঠিত হও এবং উঠে দাঁড়াও।
চতুর্থ অধ্যায়ের মূল শিক্ষা ও সহজ ব্যাখ্যা
১. জ্ঞান ও কর্ম পরস্পরের বিরোধী নয়
শ্রীকৃষ্ণ বোঝাচ্ছেন যে কর্তব্য থেকে পালিয়ে যাওয়া প্রকৃত সন্ন্যাস নয়। নিজের কর্তব্য পালন করতে হবে, কিন্তু স্বার্থপর আকাঙ্ক্ষা ও ফলের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি ত্যাগ করতে হবে।
২. ধর্মরক্ষায় ঈশ্বরের আবির্ভাব
সপ্তম ও অষ্টম শ্লোকে ভগবান ধর্মের অবনতি হলে আবির্ভূত হওয়ার কথা বলেছেন। এই শিক্ষা ধর্ম, ন্যায় ও সৎকর্মের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।
৩. জ্ঞানই প্রকৃত পবিত্রতা
জ্ঞান মানুষকে অন্ধবিশ্বাস, অজ্ঞানতা এবং বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করে। সত্যকে জানার জন্য শ্রদ্ধা, অনুসন্ধান, সংযম এবং উপযুক্ত শিক্ষকের নির্দেশ গুরুত্বপূর্ণ।
৪. কর্মফলের প্রতি আসক্তি ত্যাগ
মানুষের হাতে রয়েছে আন্তরিক প্রচেষ্টা ও কর্তব্যপালন; কিন্তু প্রতিটি ফল তার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তাই সৎভাবে কাজ করে ফলকে সমভাবে গ্রহণ করার শিক্ষা গীতার অন্যতম প্রধান বার্তা।
৫. সংশয় দূর করে কর্তব্যে প্রতিষ্ঠিত হওয়া
অধ্যায়ের শেষ শ্লোকে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে জ্ঞান দিয়ে সংশয় দূর করে কর্তব্য পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রকৃত জ্ঞান মানুষকে নিষ্ক্রিয় করে না; বরং বিবেকপূর্ণ কর্মে উদ্বুদ্ধ করে।
উপসংহার
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার চতুর্থ অধ্যায় আমাদের শেখায়—জ্ঞান অর্জন করো, কর্তব্য পালন করো, অহংকার ও আসক্তি কমাও এবং সত্য উপলব্ধির পথে এগিয়ে চলো। যজ্ঞ কেবল বাহ্যিক আচার নয়; নিষ্ঠা, আত্মসংযম, অধ্যয়ন, সেবা এবং জ্ঞানসাধনাও আধ্যাত্মিক উন্নতির পথ হতে পারে।
যে মানুষ শ্রদ্ধা, বিবেক ও জ্ঞানের আলোয় নিজের জীবন পরিচালনা করে, সে ক্রমে অন্তরের শান্তি ও আত্মোপলব্ধির পথে অগ্রসর হয়।
॥ হরে কৃষ্ণ ॥
॥ শ্রীকৃষ্ণার্পণমস্তু ॥
ভগবদ্গীতার জ্ঞান জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্য, কর্তব্য ও শান্তির পথ দেখাক।
আরও পড়ুন
বিষয়: শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা, জ্ঞানযোগ, জ্ঞান-কর্ম-সন্ন্যাস যোগ, শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ, গীতা শ্লোক ও বাংলা অর্থ, কর্মযোগ, জ্ঞানযজ্ঞ, আধ্যাত্মিক জ্ঞান।
প্রস্তাবিত SEO শিরোনাম: জ্ঞানযোগ | গীতা চতুর্থ অধ্যায়ের ৪২টি শ্লোক, বাংলা অর্থ ও ব্যাখ্যা
Meta Description: শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার চতুর্থ অধ্যায় জ্ঞান-কর্ম-সন্ন্যাস যোগের ৪২টি সংস্কৃত শ্লোক, বাংলা অর্থ ও সহজ ব্যাখ্যা পড়ুন। জানুন জ্ঞান, কর্ম, যজ্ঞ ও আত্মোপলব্ধির শিক্ষা।
Labels: Bhagavad Gita, জ্ঞানযোগ, গীতা চতুর্থ অধ্যায়, শ্রীকৃষ্ণ, গীতা শ্লোক, বাংলা গীতা, আধ্যাত্মিক জ্ঞান
১. স্বর্গে যুধিষ্ঠিরের প্রবেশ ও বিস্ময়
২. নরক দর্শন ও চরম পরীক্ষা
৩. মায়ার অবসান ও পরম সত্য
- যুধিষ্ঠিরের নরক দর্শনের কারণ: যুধিষ্ঠির সারা জীবনে মাত্র একবার একটি অর্ধ-সত্য কথা বলেছিলেন (দিলীপ/অশ্বত্থামা বধের সময় "অশ্বত্থামা হত, ইতি গজ" বলে দ্রোণাচার্যকে বিভ্রান্ত করেছিলেন)। সেই সামান্য ভুলের শাস্তিস্বরূপ তাঁকে অল্প সময়ের জন্য নরক দেখতে হয়েছিল।
- ভাইদের স্বর্গে স্থান: পাণ্ডব এবং দ্রৌপদী ইতিমধ্যেই তাঁদের সমস্ত পাপ ক্ষয় করে প্রকৃত স্বর্গে (উচ্চতর দিব্য লোকে) স্থান পেয়েছেন।
৪. দিব্য রূপ লাভ ও মিলন
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
অক্টোবর ১১, ২০২৬
Rating:





.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: