
হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কৃষ্ণকৃষ্ণ হরেহরে


হরেরাম হরেরাম রামরাম হরেহরে

পূর্ণ ব্রহ্ম সত্যনারায়ণ বিষ্ণুশর্ম্মা
বিষ্ণুপ্রিয়া জগন্নাথ ----
তোমার শ্রীচরণে প্রণাম, তোমার শ্রীচরণে প্রণাম।
জম্ম আমার ধন্যহলো তোমার আশ্রয়ে।
জীবন আমার স্বার্থক হলো তোমার শ্রী নাম পেয়ে।
সংসার ধর্মে গোপাল আমার, ফল আমার নই।
নিষ্ঠা ভরে ডাকার জ্ঞান, দাও গো দয়াময়।
যতই করি তোমায় স্বরণ, লাগে না অন্য কিছু।
ইহ জীবনে অহংকার আমার, তুমি আছো পিছু।।
সদানন্দে পরম পিতা, জগত গুরু তুমি।
তুমি ছাড়া অন্যকিছু, ভাবতে গেলে বৃথায় কাটায় আমি।।
শিশুকালে ভাগ্যবশে পেলাম না তোমায়।
যদি পেতাম তোমায় আমি, এগিয়ে যেতাম সেথায়।।
যৌবনকাল সংসারের কেউ, দেয়নাই নামের উপদেশ।
যৌবন শেষে এসে বুঝি, তুমিই আমার হিসাব শেষমেশ।।
ক্লান্তি ক্ষমা করো,বিষয় বাসনায় ভরা।
নামের মাঝে গুরু আছেন,এইতো মহা সাড়া।।
ব্রহ্মা তুমি, বিষ্ণু তুমি, মহেশ্বর তুমি -- জগত পিতা।
সৃষ্টি তোমার, সকল জীবের কর্ত্তা তুমি -- জগত মাতা।।
পূর্ব জম্মের কথা জানিনা, আমি অভাগা।
ইহ জম্মে কর্ত্তা সেজে, আমি সর্ব্বহারা।
জানতাম আমি, আমার বলে হারিয়ে বসি সব।
কর্ত্তা আমার স্বয়ং গোবিন্দ, জানলাম সর্বশেষে।।
জানি আমি গুরুর কৃপায় প্রারব্ধ আমার ভাগ্য।
কারণে অকারণে কত দোষে দূষ্ট ভাগ্যে, আমার ধার্য্য।।
অপরাধ ক্ষমা তুমি করবে আমায় জানি।
প্রারব্ধ আমায় দেহের মাঝে ভূগতে হবে গ্লানি।।
কথায় কথায় ভূল কতো করেছি ইহকালে।
চুরি বিদ্যা, রাহাজানি, অপমানিত করেছি প্রাণী কুলে।।
হিংসা, অহংকার, অপচয় মিথ্য অপবাদ কতক?
ভূল সূধরায়ে আসতে আমার ভাবি গুরুর চরণ।।
প্রবাস জীবন করে আজি পরের ঘরে বাস।
অন্ন জোগাতে ঋণের বোঝা, জীবন সর্ব্বনাশ।।
বিদ্যালয়ের বিদ্যা শিক্ষা, হলো এটি এম কার্ড।
গুরু বিদ্যা মহা লক্ষী, না বুঝে হলাম ফুটবল খেলার মাঠ।।
বলের মত যার তার পায়ের খেলে আনন্দ পাই।
অজ্ঞান জনিত কারণে আমি গুরু নিষ্টা চাই।।
সংসার যে গোপালের খেলা, গোপাল হলো সার।
গুরু গোবিন্দের তরী ধরে এইবার হবো পার।।
সাধ আমার অনেক কিছু, সাধ্য নাই আমার।
জগত গুরুর শ্রীচরণে ভজন জপন মহিমা হোক তোমার।।
তেতো মিষ্টি টক কি ভালো কি মন্দ আমার কিছু নই।
আমার মাঝে গুরু তোমার বিরাজ সর্দায় যদি হই।।
বিষ্ণুপ্রিয়া বিষ্ণুশর্ম্মা সত্যনারায়ণ।
গুরু ছাড়া আমার মাঝে নাইকো কোন স্বজন।।
গুরু তোমার চরণ ভজি বার তরে কৃপা করো মোরে।
তোমায় ছাড়া নাকো কিছু জগত সংসারে।।
নিত্য সাথী নিত্যনন্দ পরম গুরু তুমি।
সত্যগুরুর আশ্রয় আমার, অহংকার করে চলি।।
কালী, দূর্গা, শিব,লক্ষ্মী,স্বরগতি, কার্ওিক, গনেশ,
জগন্নাথ সর্বদেব দেবী তুমি।
একেশ্বর তোমার মাঝে ঈশ্বর খুঁজি কোথায় ?
তোমার মাঝে সর্দায় সাঁজে , নামের মহিমা।।
তরুলতা, গাছ পালা, হিংস্র প্রাণী, ভালো মন্দ -
সকল প্রাণী কুল, বিষয় বস্তু সহ অগ্নি,বায়ূ,ঘৃত, চন্দন
ননী মাখনে ও তুমি।
বিদ্যা বুঝি, যুক্তি তর্ক, কোন কিছু নেই। ভাবতে গেলে
ভাব সাগরে তুমিই সর্ব্বশেষ।
সদায় মনকে শংযত করে ডাকলে, মেলে তোমার সাড়া।
দয়াল আমার দয়া নিধি সদায় সেবায় রত।।
লোভের বশে আমি শুধু, খুঁজি বিষয় বস্তু।
দয়া সীমা নাই যে তোমার নামই আসল বস্তু।।
কল্যাণ করে তুমি গুচ্ছা ও মানব কুলের সার।
আশা করে, আশাপূরণ না হলে মন করি বেজার।।
ঐ আশা যে, সর্ব্বনাশা বুঝে না অন্তরে।
পরক্ষণেই বিপদ হবে, সেই কারণ গুরু সধায় জানে।।
মানুষ হয়ে জম্ম নিয়ে, গুরু ভজলাম না।
দিনে দিনে ক্ষনে ক্ষনে বুঝি আমি, তুমি একজনা।।
চাই না বাবা রাজা হতে, সাধ নাই এই জগতে।
কালাতিপাত করতে গিয়ে তুমি থাকো সাথে।।
কোন মন্তব্য নেই: