Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)
Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)
Home/আমার জীবনে শ্রীশ্রীরামঠাকুর/“আপনার কোন চিন্তা নাই। শ্রীশ্রীভগবান সর্ব্বদা আপনার শিয়রে। বৈকুণ্ঠ হইতে রথ নামিয়া আসিতেছে। আপনি সে রথে বৈকুণ্ঠে যাবেন। শুধু নাম করেন।”
“আপনার কোন চিন্তা নাই। শ্রীশ্রীভগবান সর্ব্বদা আপনার শিয়রে। বৈকুণ্ঠ হইতে রথ নামিয়া আসিতেছে। আপনি সে রথে বৈকুণ্ঠে যাবেন। শুধু নাম করেন।”
“আপনার কোন চিন্তা নাই। শ্রীশ্রীভগবান সর্ব্বদা আপনার শিয়রে। বৈকুণ্ঠ হইতে রথ নামিয়া আসিতেছে। আপনি সে রথে বৈকুণ্ঠে যাবেন। শুধু নাম করেন।”
অধ্যাপক প্রভাতচন্দ্র চক্রবর্তী এম. এ. পি. আর. এস; পি. এইচ. ডি. লিখিত
তাঁহার কথা
(১) আজ তাঁহার কথা বলিতে যাইতেছি।
দুঃখের বিষয়, তাঁহার কথা বুঝি নাই – বুঝিবার মত সামর্থ্যও নাই।
সে মানুষটিকে যেমন সহজে ধরা যায় না, তাঁহার মুখের কথাও তেমন শুধু শুনিয়াই ধারণা করা যায় না। আমরা না বুঝিয়াছি সে মানুষটিকে না বুঝিয়াছি তাঁহার কথা। যে সাধনা ও একাগ্রতা থাকিলে তাঁহার কথার নিগূঢ় তাৎপর্য্য হৃদয়ঙ্গম করা যায়- তাঁহার প্রকৃত তত্ত্ব মনের সামনে ফুটাইয়া তুলিতে পারা যায় – তাহা যে আমাদের নাই। যাঁহার বাল্যবধি সমগ্র জীবনটাই রহস্যময় এবং সাধারণ বুদ্ধির অগম্য, তাঁহার কথার মধ্যেও যে আমাদের না বুঝিরার মত অনেক কিছু থাকিবে তাহাতে আর আশ্চর্য্য কি! কাজেই আশঙ্কা হয়, তাঁহার কথা বলিতে গিয়া বোধ হয় অজ্ঞানতাবশতঃ শেষে আমাদের কথাই বলিয়া বসিব। বুঝা না বুঝা লইয়াই বা এত কেন? তিনি তো বলেন, - একেবারে কিছু না বুঝিতে পারাই সব চেয়ে ভাল বুঝা। অজ্ঞানই প্রকৃত জ্ঞান।
সত্যণারায়ন সেবা অর্থে শ্রীশ্রী ঠাকুর: নাম করিতে করিতে সেবা হয়।গুরুপদিষ্ট নাম সর্ব্বদা হৃদয়ে জাগিয়া থাকিলেই সত্যের প্রতিষ্ঠা ও চৈতন্য হয়।এই প্রানময় দেবতাকে আশ্রয় করিয়া নাম করাই সত্যণারায়ন সেবা। জয়রাম জয়রাম।
চাহিয়া দেখেন স্বয়ং শ্রীহরি
আপনার শিয়রে দন্ডায়মান।
আপনার যখন সময় হইব তখন আমি খুব ছোট হইয়া আপনাকে নিয়া যামু।আমি না আইলে আত্মা নিবে কে? আর কারো নেওনের শক্তি নাই। অধিকার নাই।
জয় রাম জয় গোবিন্দ
ঠাকুর বলিলেন, জয়ন্তী মা কৈবল্য ধাম রক্ষা করতেছেন। তিনি মহাশক্তির তুল্যতালাভ কইরা লোক চক্ষের অন্তরালে থাইকা জগৎ হিতে রত। তিনি কৈবল্য ধামের অধিষ্ঠাত্রীরুপিনী। অনন্তনাগ ফণা বিস্তার কইরা শয়নাবস্থায় আছেন। তাহার জঙ্গার উপর শ্রী মন্দির প্রতিষ্টিত।মন্দির মধ্যে লক্ষীদেবী নিয়ত শ্রীচরণ সেবায় রত আছেন। মহাকালী এক পদ কৈবল্যকুন্ডে, অপরপদ কামশ্রীকুন্ডে স্হাপন কইরা সতত দাঁড়াইয়া আছেন। শিব শক্তিতে হরগৌরী সর্বক্ষণ বিহার করেন। কৈলাশ তীর্থের ফল শিব শক্তিতে পাওয়া যায়। কৈলাস যাওয়ার প্রয়োজন নাই। কৈবল্য শক্তিতে দশ মহাবিদ্যা বিরাজ করতেছেন। অতএব কৈরল্যনাথের সেবায় আত্মনিয়োগ কইরা জীবন সার্থক করেন। ঠাকুর চোখ বন্ধ করিয়া বসিয়া আছেন। প্রায় দশ মিনিট পর তিনি নিচুস্বরে বলিলেন, একদা অধর্ম আইসা আশ্রমের সব নষ্ট করব। ধ্বংস হইব না। কালে এক মহাপুরুষ আবির্ভুত হইয়া কৈবল্যধামে সর্ব ধর্মের সমন্বয় সাধন করবেন। ইহা মহাতীর্থে পরিণত হইব, চিন্তা নাই।
জয় রাম জয় গোবিন্দ রামভাই স্বরণে, ৫৪ পৃঃ
"গুরোর্ব্বচঃ সত্যমসত্যমন্যৎ "
গুরু ভিন্ন এ জগতে আত্মীয় আর কেহ নাই। গুরু সর্ব্বদা রক্ষা করেন, অতএব গুরুর প্রতিপোষক হইয়া শুচি থাকিবেন। অন্যথা করিবেন না। সংসার মায়া জালে ব্যাপ্ত, চরাচরে মোহপাশ ঘুরিতেছে, আপাততঃ মধুর পরিণামে বিষোপম হইয়া থাকে।
এক বৃদ্ধলোক ঠাকুরের সহিত দেখা করিতে আসিতে বড়বাজার হইতে অতি উৎকৃষ্ট কয়েকটি ফজলি আম আনাইয়াছিলেন। প্রথমে তিনি প্রতাপবাবুকে তিনটি আম তুলিয়া রাখিতে বলিয়াছিলেন। একটু পরে আবার বলিলেন যে, তিনটির প্রয়োজন নাই, দুইটি রাখিলেই চলিবে। এই বলিয়া ঘর হইতে বাহির হইয়া গেলেন কিন্তু একটু পরেই আবার ফিরিয়া আসিয়া বলিলেনঃ "উনি তো কিছুই খান না শুনিয়াছি, দুইটির দরকার নাই, একটাতেই হইবে।" এই কথা শুনিয়া আমি প্রতাপবাবুকে বলিলামঃ এই আম ঠাকুরের ভোগে লাগিবে না।" তিনি একটু জিজ্ঞাসু নেত্রে আমার দিকে চাহিলেন। আমি তাহাকে জানাইলাম যে, আম কাটিয়া দিতে আমি নিষেধ করিতেছি না, কিন্তু আমার বিশ্বাস যে ঠাকুর ইহা গ্রহণ করিবেন না। ইহার কিছুক্ষণ পরে ঘি, চিনি ও কলা এবং কয়েকটি বিভিন্ন ফলের টুকরা ঠাকুরকে দেওয়া হইল। ঐ আমটিও প্রতাপবাবু সযত্নে কাটিয়া থালায় সাজাইয়া দিলেন। ঠাকুর ঘি, চিনি ও কলা
একত্রে মাখিয়া গ্রহণ করিলেন এবং ফলও সামান্য কিছু খাইলেন। পরিশেষে ঐ আমের একটি টুকরা মুখে দিয়া বলিলেন যে, আমটা তেতো এবং টুকরাটি থালার পাশে রাখিয়া দিলেন। আমরা সকলেই সেই আম প্রসাদ পাইয়াছিলাম; অতি উৎকৃষ্ট গাছপাকা ফজলী, মিছরির মতো মিষ্টি কিন্তু ঠাকুর বলিলেন যে, আমটা তেতো। এই জাতীয় ঘটনা আমি জীবনে আরও অনেকবার প্রত্যক্ষ করিয়াছি এবং আমার বদ্ধমূল হইয়াছে যে, ঠাকুরের খাওয়া সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করিত যে খাওয়াইত তাহার মন ও নিষ্ঠার উপর।
রাম ঠাকুরের কথা
ডঃ ইন্দুভূষণ বন্ধোপাধ্যায়
ওঁ নমো ভগবতে শ্রীরামচন্দ্রায় নমো নমঃ
ওঁ তৎ সৎ ওঁ
শ্রীশ্রী রাম স্তোত্রম্
"প্রাণ এব পরোধর্ম্ম গুরুরেবাশ্রয় পরঃ'ঃ।
" তদৈব লভতে শান্তিং নিরপেক্ষ ভবেদ্ যদা।।
শ্রীশ্রী গুরু প্রণাম ঃ
ওঁ নমো শ্রীরামচন্দ্রায় মৃদু মধুর ভাষিণে।
সৌম্যশান্তাবতারায় তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।
বেদ-বাণী*সাধ্য ও সাধন তত্ত্ব, ১ম খণ্ড ৫ম পর্ব ঃ--
গুরু-গীতা
গুরু গীতাই জগতের অভাব নাশ করিয়া পরম শান্তি দিয়া থাকেন। গীতার তুল্য আর জগতে কিছুই নাই। ১/২৪১
গুরুর বাক্য পালন ঃ
প্রকৃতি গুণের বশবর্তী হইলে গতাগতি ঘুচে ু।অতএব সর্ব্ব রকম সাধন কর্ম্মে না লোভ রাখিয়া শুদ্ধ গুরুর বাক্য পালনে যত্নশীল হইতে চেষ্টা করিবে, পরিশিষ্ট শান্তিই ভোগ হইবে। অন্য চিন্তা করিবে না, উপস্থিত বাসনার বেগ সহ্য করাই ধর্ম্ম। বাসনার অনুশীলন করিতে নাই, মাত্র গুরুর আদেশ পালনই করিবে। ১/১৫৪
চরম ধর্ম্ম
সর্ব্বদা "সুখে দুঃখে সমে কৃত্বা লাভালাভৌ জয়াজয়ৌ '' গীতা নায়ক বিবৃত করিয়া রাখিয়াছেন। পিতা সেবায় সহ্য (সহিষ্ণু) শ্রদ্ধা(তৃপ্তি মিলন) অর্থাৎ ভাব হইয়া প্রেম উৎপন্ন হয়। পরে আনন্দ (পরমানন্দ) রূপ পুত্র অর্থাৎ পবিত্র হয়। কোন জঞ্জাল থাকে না, নিষ্কৃতি পায়।ইহাই চরম ধর্ম্ম। ১/৩৭৬।
জগৎ ঃ
চরাচর জগতের স্বভাবই যোগ বিয়োগ। এই যোগ বিয়োগ হইতে মুক্তির জন্য পতিরই চিন্তা সর্ব্বদা করাই উচিৎ।১/২৯০
জগতের স্থুল আবরণে কিছুরই নিত্যত্ব নাই। অনাবৃত বীরের মৃত্যু হয় না, জন্মও হয় না।১/২৮।
জীব ঃ
সংসার মমতাজালে বদ্ধ থাকায় জীবগণ কার্য্যকারণ স্মরণ করে। ১/৭০।
ভগবানের স্বভাব জীবত্ত নিত্যদাস অভিমান। কর্ত্তৃত্বাভিমান আবরণে সেই নির্ম্মল স্বভাব ভুলিয়া যায়, এই দরুণেই জীবের জন্ম মৃত্যুর অধীন ছাড়িতে পারে না। ১/১৬১।
জীবের প্রধান কর্ম্ম ঃ
কর্ত্তৃত্বাভিমান আনন্দের নিকট হইতে মুক্ত হইবার জন্য সর্বদা ভগবান পতি হৃদয়ে রাখিবার জন্য চেষ্টা করা, ইহাই জীবের প্রধান
কর্ম্ম। ১/৩৮৭। (ক্রমশঃ)
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
জয় গুরুদেব। জয় রাম, জয় সত্য নারায়ণ।
ওঁ নমো শ্রীরামচন্দ্রায় নমো নমঃ ঃ--
শ্রীশ্রী রাম স্তোত্রম্ ঃ
গুরুবে জ্ঞানরূপাায় সংসারান্ধতমোনুদে।
শ্রীমদ্রাসরসোল্লাসরসিকায়রসাত্ননে।।
শ্রীশ্রী গুরু প্রণাম ঃ--
চৈতন্যং শাশ্বতং শান্তং ব্যোমাতীতং নিরঞ্জনম্
বিন্দুনাদ-কলাতীতং তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।
বেদবাণী-সাধ্য ও সাধন তত্ত্ব-১ম খণ্ড
জ্ঞান
ভগবানের নিকট বুদ্ধি থাকিলেই সমস্ত কার্য্য পূর্ণ হয় মন বিষয়ে লিপ্ত থাকে, তাকে স্থির করিবার চেষ্টা অনর্থক। মনকে স্থির করিলে
মাত্র দেবতাদির সঙ্গ সিদ্ধি হয়,আত্মার উদ্ধার হয় না,কারণ মনের দ্বারাই কল্পনা হইয়া থাকে। গতাগতিই স্বভাব কাজেই গতাগতি ঘোচে না। এই জন্যই জ্ঞানের সঙ্গে থাকিতে চেষ্টা করিতে হয়। জ্ঞানেই পাপ পূণ্য সুখ দুঃখ হইতে মুক্ত করে। আত্মার উদ্ধার হয়। ১/১৫০
জ্ঞানচক্ষু-
সংসার মায়ার দ্বারা বিবর্ত্তন হইলেও কর্ম্মফল ভোগ করিতেই হইবে। এমন কোন স্থান নাই যে পুন্ডরীক চক্ষে প্রকাশ নাই। মন বুদ্ধি জ্ঞানাদি ভাবের দ্বারায় সেই চক্ষু প্রকাশমান হইয়া থাকায় তাকে ছাড়া কোথায় স্থান পাইতে পারে যে তাহার অগোচর হইবে?
ধর্ম,কর্ম্ম, সম্পদ যাহা জগতে উদয় অস্ত হইতেছে সম্বন্ধন দ্বারা বিশিষ্ট রূপে দেদীপ্যমান থাকিতে কোন রূপে মলিন হইবে না। এই সংসার মায়ার চক্রে যে যে ভাবেই বুঝুক সে সে ভাবেই প্রত্যক্ষতা লাভ করিবে সংশয় নাই। ১/৯০
তিতিক্ষা-
ভগবান মঙ্গলময়। সময়চক্রে নানান উপসর্গ জুটিয়া থাকে। আবার সময়ে সকলি চলিয়া যায়। এইজন্য কালচক্রের আগম নিগমকে
তিতিক্ষা করিতে হয়। ১/২১২
আত্মীয় বন্ধু বান্ধবাদি হইতেই নানান অশান্তি
কারক বিপ্লব সংঘটিত হইয়া জীবদ্দশায় উৎপীড়ন করিয়া তোলে। এই সকল স্ব স্ব ভাগ্যেই হইয়া থাকে মনে করিয়া কেবল তিতিক্ষা করিবার চেষ্টা করিতে করিতে সকল
“আপনার কোন চিন্তা নাই। শ্রীশ্রীভগবান সর্ব্বদা আপনার শিয়রে। বৈকুণ্ঠ হইতে রথ নামিয়া আসিতেছে। আপনি সে রথে বৈকুণ্ঠে যাবেন। শুধু নাম করেন।”
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
ডিসেম্বর ২৪, ২০২৩
Rating: 5
Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)
কোন মন্তব্য নেই: