Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)

Kotha O Golpo

welcome to  Kotha O Golpo 

 

গোপাল ভাঁড়ের গল্প নবাবের অষ্টাদশ পর্ব মহাভারত কথা Kotha O Golpo Podcast



📖 সম্পূর্ণ গল্প:

এক ছিল কুঁজো বুড়ি।
বুড়ির ছিল তিনটে কুকুর—রঙ্গা, বঙ্গা আর ভুতু।

একদিন বুড়ি ঠিক করল, নাতনির বাড়ি যাবে। তাই তিন কুকুরকে বলল,
“তোরা বাড়ি পাহারা দে, আমি নাতনিকে দেখে আসি।”

কুকুরেরা বলল, “আচ্ছা, যেও বুড়িমা, আমরা পাহারা দেব।”

বুড়ি লাঠি ঠুকঠুক করে রওনা হল।
পথে এক শেয়ালের সঙ্গে দেখা।

শেয়াল বলল, “বুড়িমা, আমি তোমাকে খাবো, আমার খুব খিদে।”

বুড়ি বুদ্ধি করে বলল,
“আমার গায়ে কি মাংস আছে রে? আগে নাতনির বাড়ি যাই, খেয়েদেয়ে মোটাতাজা হয়ে আসি, তখন বরং খেয়ো।”

শেয়াল বলল, “ঠিক আছে, তবে তাই যাও।”

বুড়ি আবার চলল।
হঠাৎ সামনে এক বাঘ এসে বলল, “হালুম! বুড়ি, আমি কিন্তু তোমাকে খাব।”

বুড়ি আবার বলল,
“ওরে বাবা, আমায় এখন খেয়ো না। আমি এখন একদম শুকনো। আগে নাতনির বাড়ি গিয়ে মোটাতাজা হয়ে আসি, তখন খেয়ো।”

বাঘও রাজি হল।

বুড়ি আবার চলতে লাগল।
অল্প পথ গিয়ে এক ভালুকের সঙ্গে দেখা। ভালুকও একই কথা বলল—
“বুড়ি, তোমাকে আমি খাবো!”

বুড়ি আবারও একই চালাকি করে বলল,
“আমায় এখন খেয়ো না রে ভাই, নাতনির বাড়ি গিয়ে খেয়েদেয়ে মোটাতাজা হয়ে আসি, তারপর খাও।”

ভালুকও রাজি হল।

বুড়ি নাতনির বাড়ি গিয়ে ভুরিভোজ করল, মিষ্টি খেয়ে, দুধ-মাখন খেয়ে, মোটাতাজা হয়ে নাচতে নাচতে ফিরল।

ফেরার পথে আগে যেই শেয়ালটা দেখা দিয়েছিল সে এসে বলল,
“এইবার তো তুমি মোটাতাজা হয়েছো, এবার খাই!”

বুড়ি তাড়াতাড়ি বলল,
“অ্যাঁ, একটু জল খেয়ে নিই, তারপর খেও।”
এই বলে কুঁজো বুড়ি লাঠি ঠুকে দৌড়ে নিজের বাড়ির দিকেই পালাল।

বাঘ, শেয়াল, ভালুক তিনজনই তার পেছনে ছুটল।
বুড়ির তিন কুকুর রঙ্গা, বঙ্গা আর ভুতু তখন গেটের সামনে ছিল।

তারা তিনটে মিলে এমনভাবে ঘেউ ঘেউ করতে লাগল যে, বাঘ, শেয়াল, ভালুক তিনজনেই ভয় পেয়ে পালাল!

বুড়ি হেসে বলল,
“বুদ্ধি থাকলে বুড়িও বাঁচে!” 😄


✍️ নৈতিক শিক্ষা:

বিপদের সময় বুদ্ধি ও উপস্থিত বুদ্ধি মানুষকে রক্ষা করতে পারে।


📜 YouTube Description (বিবরণ):

কুঁজো বুড়ির গল্প — উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর মজার শিশুতোষ গল্প।
এই গল্পে শেখানো হয়েছে, বিপদে পড়লেও ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে বুদ্ধি দিয়ে বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
👉 শুনে ফেলো কুঁজো বুড়ির মজার এই কাহিনি!
📚 লেখক: উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
🎙️ কণ্ঠ: সুব্রত মজুমদার
🎨 অ্যানিমেশন ও ভিডিও: Kotha O Golpo @WordsAndStories

🔔 সাবস্ক্রাইব করো আরও এমন গল্প পেতে!
#KothaOGolpo #WordsAndStories #BanglaStory #KidsStory #MoralStory


🔑 Hashtags & Keywords:

Hashtags:
#KujoburiGolpo #BengaliMoralStory #UpendrakishoreRaychowdhury #BanglaKidsStory #KothaOGolpo #WordsAndStories #AnimatedStory #BengaliFairyTale #BanglaGolpo #BanglaKahini #MoralTale #BengaliCartoonStory #OldBanglaStory

Keywords:
কুঁজো বুড়ির গল্প, উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী গল্প, Bangla moral story, Bengali cartoon story, Bengali kids story, Bengali animation, বাচ্চাদের গল্প, নীতিগল্প, বাংলা নীতিগল্প, Bengali folktale, Subrata Majumder story narration, Kotha o Golpo, Words and Stories channel



উকিল, শিক্ষক ও কুয়ার পানি — একটি ছোট উপাখ্যান

উকিল, শিক্ষক ও কুয়ার পানি

একটি সংক্ষিপ্ত প্রহসনময় উপাখ্যান — মানুষের প্রকৃতি ও সম্মাননার সহজ শিক্ষা

একদিন এক উকিল একজন বয়স্ক ব্যক্তির নিকট একটি কুয়া বিক্রি করলেন। ওই ব্যক্তিটি পেশায় ছিলেন শিক্ষক।

সপ্তাহখানেক পর, উকিল সেই শিক্ষকের কাছে এসে বললেন,
"আমি আপনাকে কুয়া বিক্রি করেছি, কিন্তু কুয়ার ভিতরের পানি বিক্রি করিনি! আপনি যদি কুয়ার পানি ব্যবহার করতে চান, তাহলে আমাকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে।"
শিক্ষক সান্ত্বনা ও হাস্যরসে উত্তর দিলেন,
"হ্যাঁ, আমিও আপনাকে সেটাই বলতে চাচ্ছিলাম! এখনই কুয়া থেকে আপনি আপনার পানি নিয়ে যান, নইলে আগামীকাল থেকে আপনাকে ভাড়া গুণতে হবে।"
এ কথা শুনে উকিল খানিকটা দম্ভহীন হয়ে বললেন, "আরে না না, আমি তো ঠাট্টা করছিলাম।"

শিক্ষক নম্রভাবে বললেন, "আপনি ভুলে গেছেন আমি একজন শিক্ষক। আমরাই আপনার মতো উকিল আর বিচারক তৈরি করি।"
নৈতিক শিক্ষা (Moral):
  • অহংকার ও ছলচাতুরি প্রায়শই নিজেরই অপমান ঘটায়।
  • শিক্ষকের ভূমিকায় থাকলে মানুষ নৈতিক মূল্যবোধ ও বিচারবুদ্ধি গড়ে তোলে—এটাই সমাজের প্রকৃত শক্তি।
  • অল্প গর্ব বা কৌতুকের পেছনে নৈতিকতাকে বিসর্জন দাওয়ার দরকার নেই—সম্মান ও সততা সবসময়ই অধিক প্রভাবশালী।
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল | গোপাল ভার মজার গল্প

গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল

গল্প: গোপালভার • লেখক/প্রকাশক: Subrata Majumder • বিভাগ: বাংলা নীতিকথা / শিশু গল্প
গোপাল এবং কেদার; কাঁঠাল গাছ ও গোঁফে তেল

গোপালের পাশের এক প্রতিবেশীর নাম কেদার। তার বাড়ির উঠানে কাঁঠাল গাছ ছিল। গাছটিতে প্রতি বছর বেশ বড় বড় কাঁঠাল হত — খেতেই মধুর মত মিষ্টি। কিন্তু একটা কাঁঠালও সে কাউকে দিত না।

এক বছর কাঁঠাল পাকতে লাগলে গাছের গন্ধে পাড়া-প্রতিবেশী সবাই মাতোয়ারা হয়ে যাচ্ছিল। গোপাল একদিন কেদারের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে যেতেই দেখে কেদার (ভাইয়া) আঙুলে গোঁফে তেল মাখিয়ে বসে আছেন — হাতে একটি বাটি সরষের তেল। কৌতূহলী গোপাল জিজ্ঞেস করল, "কি হচ্ছে কেদার ভায়া?"

কেদার বললে, "গাছের বড় কাঠাঁলটা পাকবে মনে হচ্ছে; কাল সকালে ওটাকে দিয়ে জলযোগ করবার ইচ্ছে আছে—তাই গোঁফে তেল মাখাচ্ছি।"

গোপাল হেসে বলল, "একটু বেশি করে মেখে রাখ ভাই, না হলে গোঁফে আঠা জড়িয়ে যাবে। ভাল করে না মাখালে তেল যদি গোঁফে আঠা লাগায়, ছাড়াতে কষ্ট হবে।"

অপরাহ্ণেই ঘটল কাণ্ড: সেদিন রাতেই কাঁঠালটা চুরি করে নিয়ে যেতে দেখা গেল। পরের দিন কেদার গোপালকে ডেকে দুঃখ করে বললে, "জানো গোপাল, আমার গোঁফে তেল মাখানই সার হল — কাঠাল খাওয়া হল না আর। কাল রাতে কাঁঠালটা চুরি হয়ে গেছে।"

গোপাল ভীষণ দুঃখ প্রকাশ করে দাবি করল, "কি আর করবে, দাদা—একেই বলে: গাছে কাঁঠাল, গোঁফে তেল!"

নৈতিক শিক্ষা: অতিমাত্রায় লোভ কখনোই ভালো ফল দেয় না; ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে আনন্দ আছে। এবং গোপালের রসিকতার মাধ্যমে গল্পটি শিশুদের স্মরণ করিয়ে দেয়—একটু বুদ্ধি আর নম্রতা কেমন করে লোভ দূর করতে পারে।

গোপালভার বাংলা গল্প নীতিগল্প শিশু গল্প লোককথা
আরও বাংলা নীতিগল্প ও শিশুকে নিয়ে ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
#gopalbhar #banglastory #bengalikidsstory #banglamoralstory #গোপালভার #গাছে_কাঁঠাল_গোঁফে_তেল

গল্প: গোপালের অতিথি-সৎকার

(সম্পূর্ণ গল্প)

ঝড়-বৃষ্টি আর অন্ধকারে ভরা এক রাত্রে এক বিদেশী পথিক অজানা পথে হেঁটে চলেছিল। হঠাৎ আকাশে মেঘ গর্জে উঠল, প্রলয়ংকরী ঝড় শুরু হলো, আর ধারাপাতের মতো বর্ষা নামল চারদিকে। বিদ্যুৎ চমকাতে চমকাতে পথ যেন আরও ভয়ানক হয়ে উঠল।

এই দুঃসহ অবস্থায় পথিক বুঝল—এ রাত্রে কোথাও আশ্রয় না নিলে বাঁচা মুশকিল। ক্লান্ত শরীর, ভিজে কাপড়, আর ভয় মাখা চোখ। সে পথের ধারে একটি ছোট ঘরের দরজায় গিয়ে জোরে জোরে কড়া নাড়তে লাগল।

ভিতর থেকে একটি জানলা খুলে গেল। সেখানেই দাঁড়িয়ে ছিলেন গৃহস্বামী—গোপাল ভাঁড়।

গোপাল অবাক হয়ে বললেন,
“কে হে বাপু তুমি? এত রাতে এত কড়া নাড়ানি কেন?”

পথিক প্রণাম জানিয়ে বলল,
“আজ্ঞে মহাশয়, আমি বহু দূর থেকে আসছি। বিদেশি পথিক… ঝড়-বৃষ্টিতে আশ্রয়ের প্রয়োজন।”

গোপাল মৃদু হেসে বললেন,
“এখানে তোমার কী চাই?”

পথিক বিনম্র স্বরে বলল,
“রাত্রিটা যদি এখানে থাকতে দিতেন…”

গোপাল বললেন,
“তা থাকতে পারো তো ওখানে—এই সরকারী রাস্তার পাশের চাতালে! এর জন্য আমাকে ডাকবার দরকার নেই। যে কেউ ওখানে থাকতে পারে। বাইরে যে আশ্রয়টুকু আছে, সেটায় থাকার জন্য আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হয় না। নিশ্চিন্তে থাকো।”

এ কথা শুনে পথিক এবার কিছুটা হতাশ হলেও মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। কিন্তু গোপাল ভাঁড় তো আসলেই দয়ার সাগর! তিনি ইচ্ছে করেই প্রথমে এমন কথা বলেছিলেন। দরজা বন্ধ করার আগেই পথিকের অবস্থা ভালো করে দেখে নিলেন—কাঁপছে, পুরো ভেজা, ক্লান্ত।

গোপাল মনে মনে বললেন,
“এই মানুষটিকে বাইরে রাখা অন্যায় হবে।”

কিছুক্ষণ পর নিজেই দরজা খুলে ডাকলেন,
“ওরে বাপু, বাইরে দাঁড়িয়ে কী হবে? ভিতরে এসো। শরীর শুকাও, গরম খিচুড়ি খাও। অতিথি এলে ঘর না খুললে কি চলে?”

পথিক অবাক!
“মহাশয়, আপনি তো সবে বললেন বাইরে থাকতে…”

গোপাল হেসে উত্তর দিলেন,
“মানুষের মনের পরীক্ষা তো নিতেই হয়। আসো, তুমি আমার অতিথি—এ ঘরেই থাকবে।”

তারপর গোপাল নিজ হাতে গরম ভাত-ডাল পরিবেশন করলেন, শুকনো কাপড় দিলেন, আর খাটে শুইয়ে দিলেন। পথিকের মুখে তখন কৃতজ্ঞতার ছাপ।

সকালে বিদায় নেওয়ার সময় পথিক চোখে জল নিয়ে বলল,
“আপনার দয়া, আপনার আতিথেয়তা আমি কোনওদিন ভুলবো না।”

গোপাল মমতাভরে বললেন,
“অতিথি হলো ঈশ্বরের রূপ। তাকে অপমান করলে গৃহে শান্তি থাকে না।”

আরও একবার প্রমাণ হলো—
গোপাল ভাঁড় শুধু বুদ্ধির জন্য নয়, মহৎ হৃদয়ের জন্যও মানুষের মন জয় করেছিলেন।



Kotha O Golpo Kotha O Golpo Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel) on অক্টোবর ১৩, ২০২৫ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.