ধৈর্য হলো এমন এক মহৎ শক্তি যা মানুষকে ভেতর থেকে দৃঢ় ও পরিপক্ব করে তোলে। যার মধ্যে ধৈর্য আছে, তার মধ্যে সাহসও আছে, শক্তিও আছে, সামর্থ্যও আছে।
ধৈর্য্য সম্পদ সর্ব্বত্র বিজয়ী
অর্থাৎ বেদবানী ১/৩৫০
শ্রীশ্রীরাম ঠাকুরের এই অমৃতবাণীটি অত্যন্ত গভীর জীবনমুখী দর্শনে পরিপূর্ণ। তিনি এখানে মানুষের মানসিক শক্তি ও সফলতার মূল ভিত্তি হিসেবে ধৈর্য-কে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
১. "ধৈর্য্য সম্পদ সর্ব্বত্র বিজয়ী"
মহাজনেরা ধৈর্যকে কেবল একটি গুণ নয়, বরং একটি সম্পদ হিসেবে গণ্য করেছেন। জীবনের যে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে—সেটা কর্মক্ষেত্র হোক বা আধ্যাত্মিক পথ—যিনি ধৈর্য ধরে রাখতে পারেন, শেষ পর্যন্ত জয় তারই হয়।
অস্থির মানুষ সহজেই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, কিন্তু ধৈর্যশীল ব্যক্তি সঠিক সময়ের অপেক্ষা করতে জানেন। সময়, পরিস্থিতি ও সুযোগ—এই তিনকে সঠিকভাবে গ্রহণ করার ক্ষমতা ধৈর্যের মাধ্যমেই জন্ম নেয়।
২. "সাহস, বল, সামর্থ্য ধৈর্য্য হইতেই লাভ করিয়া থাকে"
আমরা সাধারণত মনে করি সাহস বা শক্তি আলাদা কোনো গুণ। কিন্তু এই বাণীতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে— ধৈর্যই হলো সকল শক্তির মূল উৎস।
- সাহস: বিপদ দেখে ঘাবড়ে না গিয়ে স্থির ও শান্ত থাকা—এই স্থিরতাই প্রকৃত সাহস। আর এই স্থিরতা আসে ধৈর্য থেকে।
- বল (মানসিক শক্তি): মনের জোর বা অভ্যন্তরীণ বল তৈরি হয় ধৈর্য থেকে। অস্থিরতা শক্তি ক্ষয় করে, ধৈর্য শক্তি সঞ্চয় করে।
- সামর্থ্য (যোগ্যতা): কোনো কাজে দক্ষ হয়ে ওঠার জন্য দীর্ঘ সাধনা প্রয়োজন। ধৈর্য না থাকলে সাধনা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
✨ উপসংহার
ধৈর্য হলো এমন এক মহৎ শক্তি যা মানুষকে ভেতর থেকে দৃঢ় ও পরিপক্ব করে তোলে। যার মধ্যে ধৈর্য আছে, তার মধ্যে সাহসও আছে, শক্তিও আছে, সামর্থ্যও আছে।
ধৈর্যই সফলতার চাবিকাঠি। জীবনের যে কোনো বাধা অতিক্রম করার জন্য প্রথমে প্রয়োজন অন্তরের স্থিরতা—আর সেই স্থিরতার নামই ধৈর্য।
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
February 23, 2026
Rating:





.jpg)
No comments: