প্রারব্ধ ও দেহতত্ত্ব
🌿 বাণীর সহজ ব্যাখ্যা
এই বাণীতে জীবনের একটি গভীর সত্য প্রকাশিত হয়েছে—প্রারব্ধ কর্ম বা পূর্বকর্মের ফল ভোগ না করা পর্যন্ত মানুষের পূর্ণ স্বাধীনতা আসে না।
১️⃣ প্রারব্ধের শক্তি
মানুষ অনেক কিছু করতে চাইলেও প্রারব্ধের সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকে। যতক্ষণ না পূর্বকর্মের ফল সম্পূর্ণ ভোগ হয়, ততক্ষণ মুক্ত ইচ্ছাশক্তি সম্পূর্ণ কার্যকর হয় না।
২️⃣ দেহের পরাধীনতা
শরীর ইন্দ্রিয়ের দ্বারা পরিচালিত হয় এবং সময়ের সাথে সাথে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এই নশ্বর দেহের উপর সম্পূর্ণ আধিপত্য মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।
৩️⃣ সুখ-দুঃখের সমভোগ
প্রারব্ধ সুখ ও দুঃখ উভয়ই সমভাবে আকর্ষণ করে। জীবনের আনন্দ ও বেদনা—দুই-ই কর্মফলের অংশ। তাই এদের থেকে পালানোর উপায় নেই; বরং সমভাবে গ্রহণ করাই জ্ঞানীর পথ।
✨ আধ্যাত্মিক শিক্ষা
- দেহ নশ্বর, আত্মা চিরন্তন।
- সুখ-দুঃখ সাম্যভাবে গ্রহণ করাই স্থিতপ্রজ্ঞতার লক্ষণ।
- প্রারব্ধ ভোগের মধ্য দিয়েই আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে।
- আত্মজ্ঞানই পরাধীনতার ঊর্ধ্বে উত্তরণের পথ।
🙏 উপসংহার
এই বাণী আমাদের শেখায়—দেহ ও ইন্দ্রিয়ের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে, প্রারব্ধের সুখ-দুঃখকে সমভাবে গ্রহণ করতে হবে। সহিষ্ণুতা, সমত্ববোধ ও ঈশ্বরাশ্রয়ই মুক্তির সোপান।
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
February 23, 2026
Rating:





.jpg)
No comments: