শ্রীশ্রী রামঠাকুরের অলৌকিক কৃপালীলা
গুরুকৃপাহি কেবলম
শ্রীশ্রী রামঠাকুর বলেছেন—
“আমি অতি কষ্টে খোঁড়াইতে খোঁড়াইতে আসলাম।
তা দেইখা গুরুদেব বললেন,
‘একটু দোষ রইয়া গেল।’”
জয়গুরু । জয়রাম ।
গুরু কৃপাহি কেবলম ।
প্রাণ গোবিন্দ প্রাণ গোপাল।
কেশব মাধব দীনদয়াল॥
🙏🙏🙏🌻🌻🌻🙏🙏🙏 সুপ্রভাত
শ্রীশ্রী রামঠাকুর বলেছেন, হিমালয় থাইকা নাইমা কলিকাতার পাশে বাঁশবেরিয়া অঞ্চলে গঙ্গার ধারে এক শিবমন্দিরে কিছুকাল ছিলাম। তখন সেখানের এক গৃহস্থ পরিবারের স্বামী-স্ত্রী অনেক বইলা কইয়া আমারে তাগো বাড়ি নিয়া যায়।
সেইখানে মাঝে মাঝে দুই-চারজন রোগীরে বনের লতা-পাতার ওষুধ দিতাম। তারা আরোগ্য হইয়া যাইত। এইটা দেইখা তাগো বাতব্যাধিগ্রস্ত একমাত্র পুত্রের আরোগ্যের জন্য প্রতিদিন বহু কাকুতি-মিনতি কান্নাকাটি করত। আমি এরাইয়া যাইতাম।
শেষ পর্যন্ত তাগো আকুলতা সহ্য করতে না পাইরা একদিন রাত্রে গঙ্গার ধারে বাঁশবনে আসন কইরা এক প্রহর বইসাছিলাম। তারপর উঠার জন্য অনেক চেষ্টা কইরাও বিন্দুমাত্র নড়তে পারলাম না।
বুঝলাম ঐ ছেলের রোগ আমারে ধরছে, আর সে ছেলে সুস্থ হইয়া গেছে। নিরুপায় হইয়া বইসা আছি।
এমন সময় দেখি গুরুদেব একটু দূরে দাঁড়াইয়া আমারে ডাকতেছেন, “আমার কাছে আস।”
আমি কোন মতেই উঠতে পারতেছি না দেইখা, গুরুদেব আমার পিছন দিক থাইকা এক লাথি মাইরা আমারে ১৪/১৫ হাত দূরে ফেইলা দিলেন। আমি অতি কষ্টে খোঁড়াইতে খোঁড়াইতে আসলাম।
তা দেইখা গুরুদেব বললেন, “একটু দোষ রইয়া গেল।” এই বইলাই গুরুদেব চইলা গেলেন।
জয়রাম
আধ্যাত্মিক তাৎপর্য
এই ঘটনাটি শ্রীশ্রী রামঠাকুরের অসীম করুণা, আত্মত্যাগ এবং গুরুকৃপার মহিমার এক বিরল দৃষ্টান্ত। ভক্তের দুঃখ নিজের উপর গ্রহণ করে তাঁর কল্যাণ সাধন করা মহাপুরুষদের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। গুরুদেবের কৃপা ও আশ্রয় ব্যতীত আধ্যাত্মিক পথের সকল বাধা দূর করা সম্ভব নয়।
"মহাজীবনের কাহানী"
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯
✍️
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
জুন ২১, ২০২৬
Rating:






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: