শ্রীশ্রী রাম ঠাকুর ও শ্রী শ্রী আনন্দময়ী মা
শ্রী শ্রী ঠাকুরের শ্রীদেহ অসুস্থ থাকাকালীন ঢাকা শাহবাগের মা আনন্দময়ী একদিন ঠাকুরকে দর্শন করিতে আসিলেন। তাঁহার সঙ্গে কতিপয় ভক্ত, অনুরক্তও ছিলেন। আমি খাটের উপর শ্রীশ্রী ঠাকুরের সেবায় রত ছিলাম।
শ্রীশ্রী মা ঠাকুরকে অভিবাদন করিয়া নীরবে দাঁড়াইয়া রহিলেন, ঠাকুর ও নীরব। এই উভয়ের নীরবতার মধ্যে কি আলাপ হইয়াছে তাহা বুঝিবার শক্তি আমাদের নাই ! কিছুক্ষণ পরেই মা ভক্তগণ সহ চলিয়া গেলেন।
এই প্রসঙ্গে আর একটি ছোট ঘটনার অবতারণা করিতেছি। ঘটনাটি ঘটিয়াছিল ইহার ২/১ দিন পর তখন ঠাকুরের শ্রীদেহ একটু সুস্থ ছিল। এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক ঠাকুরের অসুস্থতার সংবাদ পাইয়া দেখিতে আসিয়া তিনি কেমন আছেন জিজ্ঞাসা করিলেন। ঠাকুর খাট হইতে নামিয়া তাঁহাকে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করিলেন। ভদ্রলোক হতভম্ব হইয়া পড়িলেন। পরে ঠাকুরের চরণযুগল বক্ষে ধারণ করিয়া নিজ আশঙ্কায় নানা প্রকার ভাষায় ও ভঙ্গিমায় স্তুতি আরম্ভ করিলেন যেন তিনি কত অপরাধী।
ঠাকুর তাঁহাকে আশ্বস্ত করিলেন শুধু দুই চারটা কথা বলিয়া ,"আপনার কোনো অপরাধ হয় নাই, আমাকে আশীর্বাদ করিয়া যান।"
পরে অনুসন্ধান করিয়া জানিলাম তিনি বেলপুকুরের প্রসিদ্ধ ভট্টাচার্য্য বংশোদ্ভব এবং শ্রীশ্রীঠাকুরের পুর্ব্বাশ্রম বংশের গুরু বংশ। ঠাকুর যে কাহার সহিত কি ব্যবহার বা আচরণ করিতেন তাহা আমাদের বুদ্ধির অগম্য।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: