শ্রীশ্রীঠাকুরের লীলা আস্বাদন —
পরবর্তী অংশ —
আরও একটি ঘটনার কথা শ্যামদা'র মুখে শুনিয়া ছিলাম। তিনি এবং আরেকজন ভদ্রলোক
ঠাকুরকে সঙ্গে লইয়া বিক্রমপুরে কোথায় যেন যাইতেছিলেন।কিছুক্ষণ চলিবার পর তাঁহারা দেখিলেন
যে কিছুদূরে প্রকান্ড একটা বানর সঙ্কীর্ণ রাস্তাটি আটকাইয়া দাঁড়ায়ইয়া রহিয়াছে। এই অঞ্চলের
বানরগুলি অত্যন্ত হিংস্র, সুতরাং শ্যামদা,এবং তাঁহার সঙ্গী সেই ভদ্রলোকটি স্বভাবতঃ একটু
ভীত হইলেন। ঠাকুর কিন্তু বলিলেন ; যে,কোন ভয়ের কারণ নাই। বানরটা কিছুই করিবে না এবং
আগাইয়া চলিলেন। ঠাকুর ঐ বানরটির নিকটে আসিতেই শ্যামদা ও তাঁহার সঙ্গী সেই ভদ্রলোকটি
আশ্চর্য্য হইয়া দেখিলেন যে, সে মাটিতে মাথা ঠেকাইয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিল এবং পরে ধীরে ধীরে
একদিকে চলিয়া গেল। " আমি অনুসন্ধান করিয়া জানিয়াছি যে, ঠাকুর ঐদিন রাহাপাড়া ভক্ত
চন্দ্রমোহন শীল কবিরাজের বাড়ীতে যাইতেছিলেন।
জয় রাম জয় গোবিন্দ
কলমে— শ্রীশুভময় দত্ত
শ্রীশ্রীঠাকুর রামচন্দ্রদেবের স্মৃতি অর্চ্চনা
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: