অপরিসীম আধ্যাত্মিক শক্তির মূর্ত প্রতীক শ্রীশ্রীঠাকুর সর্বদা পরম বিনয়ী বিনম্র থেকে চেষ্টা করে গেছেন সাধারণ মানুষের হিতসাধন করতে। নিজের সুখস্বাচ্ছন্দ্য সম্বন্ধে চিরকাল উদাসীন থাকলেও, কোথাও তাঁহার সহযাত্রী ভক্তদের প্রতি সামান্যতম অনাদরও তিনি সহ্য করতেন না এবং সেই জাতীয় পরিস্থিতিতে সেই স্থান ত্যাগ করে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তাঁকে বিরত করা একরকম দুঃসাধ্য হয়ে উঠত। কাউকে ডাকার সময় তিনি সবসময়ই 'আপনি' বলে সম্বোধন করতেন - এমনই ছিল তাঁর ভদ্রতা ও সৌজন্যবোধ। তাঁর কোনো শিষ্য বা অনুগামী ভক্তের কাছে বা যেখানে হোক, যে-কোনো গৃহে অবস্থানকালে তিনি সেই গৃহের সকলের সঙ্গেই পরমাত্মীয়ের মতো মেলামেশা করতেন; এমন কী কোনও সংস্কার বা কোনও অহংবোধ ছিল না বলে কায়িক শ্রমদান করতেও ইতস্তত করতেন না। প্রকৃত অর্থেই তিনি ছিলেন ন্যায়পরায়ণ। তা ছাড়া কোনও রকম আতিশয্য তিনি পছন্দ করতেন না। কী পোষাক পরিচ্ছেদে, কী আহার-বিহারে- একান্ত সরল জীবনযাপন করতেই তিনি ভালোবাসতেন। পোষাকের জন্য আটপৌরে একটা 'ধুতি' আর সাধারণ একটা 'চাদর'; আর দৈনিক আহার বলতে নামমাত্র একটু দুধ বা শুকনো ফল বা সিদ্ধ কিছু সব্জি - সেটাই ছিল যথেষ্ট।
.
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: