নাম মহিমা
দেখা হয় যখন মানুষ একেবারে কামনা-বাসনা শূন্য—মরার মত হইয়া যায়। তখনই প্রকৃত নামের উপলব্ধি আসে।
রত্নাকরের সেই বিখ্যাত কাহিনী স্মরণীয়। তাকে বলা হয়েছিল— “রাম নাম কর, তাহা হইলে সমস্ত পাপ দূর হইবে।” কিন্তু তার মুখে ‘রাম’ নাম উচ্চারিত হয় নাই।
‘মরা মরা’ বলিতে বলিতে সেই ‘রাম’ নামই প্রকাশিত হইল।
‘মরা’ শব্দের গভীর তাৎপর্য এই যে— মরার কোন আমিত্ব নাই। যখন এই অহংকারশূন্য অবস্থা আসে, তখনই সত্যিকার নাম জাগ্রত হয়।
তখন মানুষ রাম নাম করিতে সক্ষম হয় এবং তাহাতেই সিদ্ধিলাভ ঘটে।
এইভাবে নামকে ধরিতে হইবে— প্রীতির সম্পর্ক লইয়া। যেই সম্পর্ক ধরিলে হৃদয়ে আনন্দ জন্মায়, সেইভাবেই নাম গ্রহণ করিতে হইবে।
যেমন— মা যশোদা শ্রীকৃষ্ণকে শিশুরূপে দেখিতেন। যদিও তিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ড দর্শন করিয়াছেন, তথাপি বলিতেন—
এবং শ্রীকৃষ্ণও তাহার কাছে সেই শিশুরূপেই ধরা দিতেন।
এই প্রেমময় সম্পর্কের মধ্য দিয়াই নামের আসল স্বরূপ উপলব্ধি হয়।
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
এপ্রিল ০২, ২০২৬
Rating:






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: