গুরু ভাই বোনসহ সকল সনাতনী ভাই বোনদের জানাই স্বাগত ,উদ্দেশ্য গুরু দেবের অমৃত বানী সকলের মাঝে প্রচার করা।

অক্ষয় তৃতীয়া ও রামঠাকুরের মহিমা | মন শান্তির সহজ উপায় | Sri Sri Ramthakur Teachings@Joyramjoygobinda

 অক্ষয় তৃতীয়ার মাহাত্ম

শ্রীশ্রী রাম ঠাকুর
👏👏
🍁অক্ষয় শব্দের অর্থ হল যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।
বৈদিক বিশ্বাসানুসারে ,
এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে।
🍁অক্ষয় তৃতীয়া হিন্দু ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের একটি অত্যন্ত পবিত্র ও শুভ তিথি যা বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে পালিত হয়।
💥অক্ষয় তৃতীয়ার
প্রধান মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য: --
🍁পুণ্য অর্জনের দিন:
এই দিনে দান-ধ্যান, বিশেষ করে অন্ন, বস্ত্র বা জল দান করলে অসীম পুণ্য লাভ হয় এবং পূর্বপুরুষদের আত্মা শান্তি পায়।
🍁শুভ কাজের সূচনা:
নতুন ব্যবসা, গৃহপ্রবেশ, বিবাহ বা কোনো কিছু কেনাকাটা করার জন্য এটি বছরের অন্যতম সেরা দিন হিসেবে গণ্য হয় ।
🍁পৌরাণিক ঘটনা:
পরশুরাম জয়ন্তী: ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম এই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয় ।
🍁মহাভারত সূচনা: লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, এই তিথিতেই মহর্ষি বেদব্যাস মহাভারত রচনার সূচনা করেছিলেন এবং গণেশ তা লিখেছিলেন ।
🍁অক্ষয় পাত্র লাভ:
পাণ্ডবরা বনবাসকালে এই দিনে সূর্যদেবের কাছ থেকে 'অক্ষয় পাত্র' পেয়েছিলেন, যাতে কখনো খাবারের অভাব হতো না।
🍁গঙ্গা অবতরণ: এই দিনেই গঙ্গা মর্ত্যে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।
🍁শ্রীকৃষ্ণ-সুদামা: এই দিনেই শ্রীকৃষ্ণ তাঁর দরিদ্র বন্ধু সুদামাকে ঐশ্বর্য ও সুখ প্রদান করেছিলেন ।
🍁লক্ষ্মী ও গণেশ পূজা:
এই দিনে ভগবান বিষ্ণু, মা লক্ষ্মী এবং গণেশের পূজা করা হয়, যা সুখ ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে বলে মনে করা হয় ।
🍁সোনার কেনাকাটা: অনেকেই এই দিনে সোনা বা রূপা কেনেন, যা ঘরে স্থায়িত্ব ও উন্নতির প্রতীক হিসেবে ধরা
হয় ।
🍁বিশেষ বিশেষ আচার:অনেকে এই দিনে বিষ্ণু বা লক্ষ্মীর পূজা করেন, গঙ্গাস্নান করেন, এবং ব্রাহ্মণ বা অভাবী মানুষকে দান করেন। এই দিনটি কোনো নেতিবাচক চিন্তা বা কাজ থেকে বিরত থাকার দিন ।
💥💥পরম দয়াল
শ্রীশ্রী রামঠাকুর 👏👏
🍁পিতা- শ্রীরাধামাধব বিদ্যালংকার এবং মাতা শ্রীমতি কমলা দেবীর তনয়রূপে
১২৬৬ বঙ্গাব্দের ২১ মাঘ, ১৮৬০ খ্রীস্টাব্দের ০২ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মমুহুর্তে, রোহিনী নক্ষত্রে, শুক্লা দশমী তিথিতে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
🍁ঠাকুরের শ্রীমুখের বাণীতে জানা যায় যে,
সত্যযুগ আদ্যপুত অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতে অতি আশ্চর্য্যজনকভাবে তাঁহার মাতৃগর্ভে প্রবেশ হয়েছিল।
🍁এক অক্ষয় তৃতীয়ায় শ্রীশ্রী রাম ঠাকুরের উপনয়ন হয়েছিল।
🍁পরের অক্ষয় তৃতীয়ায় শ্রীশ্রী ঠাকুর শ্রী গুরুর নিকট অতিন্দ্রিয় উপায়ে দীক্ষা বা মহামন্ত্র লাভ করেন।
🍁দীক্ষা লাভের পর মাঝে এক অক্ষয় তৃতীয়া বাদ দিয়া পরের অক্ষয় তৃতীয়ায় স্থূলভাবে শ্রীশ্রী ঠাকুর প্রথম গুরুর সাক্ষাৎ লাভ করেন।
🍁শ্রীদেহে ঠাকুর ইহাও বলিয়াছিলেন যে,
অক্ষয় তৃতীয়াতে হবে স্থুলদেহ সংবরণ এবং তাইই হয়েছিল।
🍁চৌমুহনী, নোয়াখালীতে ১৩৫৬ বংগাব্দের ১৮ বৈশাখ ১৯৪৯ খ্রীষ্টাব্দের ০১মে, রবিবার পুণ্য অক্ষয় তৃতীয়া তিথিতে অগনিত ভক্তের প্রাণের ঠাকুর নশ্বর দেহ ত্যাগ করে
অপ্রকট হলেন।
🍁৯০ বছর বয়সে
মহাপ্রস্থান করেন সকলের রামভাই শ্রীশ্রী রামঠাকুর।
🍁উপরে বর্ণিত রাম ঠাকুরের বিচিত্র লীলাসমূহ পুন্য অক্ষয় তৃতীয়ায় সংঘটিত হওয়ার প্রেক্ষিতে স্বাভাবিক ভাবেই রামাশ্রিতদের জন্য
পুণ্য অক্ষয় তৃতীয়া তিথিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🍁ভক্তদের বিশ্বাস, এই দিনে রাম ঠাকুরের কৃপা বা জ্ঞান অর্জিত হলে তা অক্ষয় বা চিরস্থায়ী হয়, যা জীবনের অজ্ঞানতা বা অন্ধকার দূর করে।
জয় রাম 👏👏
জয় গুরু 👏👏
শুভ অক্ষয় তৃতীয়া 👏👏👏
অক্ষয় তৃতীয়া ও রামঠাকুরের মহিমা | মন শান্তির সহজ উপায় | Sri Sri Ramthakur Teachings@Joyramjoygobinda অক্ষয় তৃতীয়া ও রামঠাকুরের মহিমা | মন শান্তির সহজ উপায় | Sri Sri Ramthakur Teachings@Joyramjoygobinda Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ on April 20, 2026 Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.