Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)

শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথ: নামের মহিমা ও আধ্যাত্মিক শক্তির অলৌকিক প্রকাশ নাম জপের অসীম শক্তি | শ্রীশ্রী রামঠাকুরের দিব্য লীলা শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথের কৃপা: নামেই মুক্তি, নামেই শক্তি নামের মাধ্যমে অলৌকিক অভিজ্ঞতা | রোহিণী কুমার মজুমদারের কাহিনী শ্রীশ্রী রামঠাকুরের বাণী: “নামেই সব সম্ভব” – এক সত্য ঘটনা কৈবল্যনাথের উপদেশ: নাম জপে জীবনের রূপান্তর নাম শক্তির প্রমাণ: চোখ বন্ধ করে পথ চলার বিস্ময়কর ঘটনা শ্রীশ্রী রামঠাকুর: বিশ্বাস, নাম ও অলৌকিক অভিজ্ঞতার সত্য কাহিনী


 

ছোটদের-বড়দের সবার রামঠাকুর | নামের মাহাত্ম্য

ছোটদের-বড়দের সবার রামঠাকুর

নামের মাহাত্ম্য (অধ্যায় ৩৫-৩৬)

১৯২০ খ্রীষ্টাব্দে সকালের দিকে এক ভদ্রলোক, রামঠাকুরের কাছ থেকে "নাম" পাওয়ার পর তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন,..."এই নাম জপ করিলে কি হইবে?" উত্তরে ঠাকুর বলেছিলেন, "এই নামের সাহার্য্যে আপনি যাহা ইচ্ছা করিতে পারিবেন।"... ঐ ভদ্রলোক, সেই দিনই, রামঠাকুরের এই উক্তির সত্যতা কি ভাবে প্রমাণ করেছিলেন, শুনি সেই ঘটনা।

উত্তর কলকাতার গোমেশ লেনের এক পুরনো দোতালা বাড়ী। এক তলায় ছোট দুটি ঘরে থাকেন, সদ্য বিবাহিত নবীন যুবক, যুবতী। দুজনেই উচ্চ শিক্ষিত-সাধুসন্ন্যাসী সম্বন্ধে কোন আগ্রহ নেই। উপরন্তু সাধু সন্ন্যাসী দেখলে তাঁদের ভণ্ড বলেই মনে হোত, উচ্চশিক্ষিত ঐ নবীন যুবকের।

সেই বাড়ীর দোতলায় একটা মাত্র ঘর, ঐ ঘরে, একা থাকেন তাঁদের বিশেষ পরিচিত জীতেন বাবু। একদিন জীতেনবাবু যুব-দম্পতীকে বল্লেন, তিনি আর দোতলায় একা থাকবেন না, কারণ দোতলায় কিছুদিন আগে, কে এক জন, মারা গিয়েছে, অনুরোধ করেন তাঁদের দু'জনকে, দোতলায় উঠে আসতে।

এই কথা শুনে ঐ দম্পতি দোতলায় উঠে যেতে রাজি নয়। মহা সমস্যা, এই সমস্যা সমাধানে, জীতেন বাবু বলেছিলেন, "আমার ঠাকুর একবার এ ঘরে এলেই সমস্ত দোষ কেটে যাবে",-ঠাকুর এলেই তাঁকে নিয়ে এই বাড়ীতে আসবেন।

ঠাকুর প্রসঙ্গে জীতেন বাবু তাঁদের অনেক কিছুই বলেছিলেন। ঐ ভদ্রলোক অবিশ্বাসের ভাবে বলেছিলেন, "বেশত, আপনার ঠাকুর কেমন দেখা যাবে।"

কিছুদিন পর, রামঠাকুর এলেন পাশের মতিলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ীতে। তাঁর ঠাকুর কেমন, দেখার জন্য জীতেন বাবু, ঐ যুব দম্পতিকে বার, বার অনুরোধ করেন।

নানান কাজে ঐ ভদ্রলোকের আর মতিলাল বাবুর বাড়ীতে গিয়ে জীতেন বাবুর ঠাকুরকে দেখে আসা হয়নি, তবে ওনার স্ত্রী প্রতি সকালে জীতেন বাবুর ঠাকুরের উদ্দেশ্যে প্রণাম করেন।

কিছু দিন পর-এক রাত্রের ঘটনায় নবীন যুবকের-অবিশ্বাসের ভিতে, কিছুটা ঝাকুনি লাগে। পরদিন সকালেই স্বামী, স্ত্রী দুজনেই আসেন, ঠাকুর দর্শনে, প্রাণ ভরে তাঁরা ঠাকুরকে প্রণাম নিবেদন করেন।

দু'জনের চোখের জলে ভিজে যায়, ঠাকুরের দুটি শ্রীচরণ।” ঠাকুর বলিলেন এই নাম, মনে মনে সবসময় জপ করিবেন।"জিজ্ঞাসা করিলাম, "এই নাম জপ করিলে কি হইবে?"ঠাকুর বলিলেন, "এই নামের সাহায্যে আপনি যাহা ইচ্ছা করিতে পারিবেন।'

বলিলাম, "কলিকাতার মত বৃহৎ শহরের রাস্তায় কি চক্ষু বুজিয়া চলিতে পারিব?" ঠাকুর বলিলেন, "নিশ্চয়ই পারিবেন।"

"বলিলাম আজই পরীক্ষা করিয়া দেখি।" "ঠাকুর বলিলেন, বেশ”।

সেই দিনের সেই নবীন যুবক হচ্ছেন, রামঠাকুরের একনিষ্ঠ ভক্তদের অন্যতম, রোহিণী কুমার মজুমদার।

তিনি তাঁর লেখা, "শ্রীগুরু শ্রীশ্রীরামঠাকুর" গ্রন্থে লিখেছেন, "আমারা গৃহে ফিরিয়া আসিলাম। মনটা খুবই চঞ্চল হইয়া হইয়া পড়িয়াছে। নামের মাহাত্ম যে কি সেই সম্বন্ধে আমার কোন ধারণাই নাই।

মনে মনে দৃঢ় সংকল্প করিলাম, "এই নামের পরীক্ষা করিতে হইবে এবং আজই।"

"নামের পরীক্ষা করিব দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হইলাম। শ্রীশ্রীঠাকুরকে প্রণাম করিয়া বাহির হইলাম," ..."ছাত্র বাড়ীর উদ্দেশ্যে"...

সেই সময় তিনি অক্রুর দত্ত লেনের কোন অন্ধ গলিতে, এক ভদ্রলোকের বাড়ীতে সন্ধ্যায় টিউশানি করতেন।

রোহিণী বাবুকে ছাত্রের বাড়ীতে যেতে হলে, প্রথমে গোমেশ লেন তারপর ডিক্সন লেন, সারপেনটাইন লেন, বৌবাজার স্ট্রীট, এবং নানান পাড়া, নানান গলি, তস্যগলি পার করে, যেতে হত।

"সারপেনটাইন লেনের দিকে মুখ করিয়া চক্ষু বন্ধ করিলাম। শ্রীশ্রী ঠাকুর কে স্মরণ করিয়া মনে মনে নাম জপ করিতে করিতে অগ্রসর হইলাম।

আমার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা, শত বাধা বিপত্তিতেও চক্ষু খুলিব না।

চক্ষু মুদ্রিত, নাম জপ করিতেছি কোথায় কোন রাস্তা দিয়া যাইতেছি, কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না।

মাঝে মাঝে মানুষের গায়ে গা লাগে, গরুর গাড়ী ও ঘোড়ার গাড়ী ধার দিয়া যাইতেছে বুঝিতে পারিতেছি।

আমি চক্ষু খুলি নাই, এক মাত্র নাম সম্বল করিয়া চলিতেছি।

চলিতে চলিতে কোথাও পা বাধা পাওয়ায় পড়িয়া গেলাম। বড় দুঃখ হইল।

চক্ষু খুলিতে বাধ্য হইলাম। অবাক হইয়া দেখিলাম আমি আমার ছাত্রের বাড়ীর সিঁড়ির উপর, পড়িয়া আছি।

আমার কোনই আঘাত লাগে নাই।

শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথ: নামের মহিমা ও আধ্যাত্মিক শক্তির অলৌকিক প্রকাশ নাম জপের অসীম শক্তি | শ্রীশ্রী রামঠাকুরের দিব্য লীলা শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথের কৃপা: নামেই মুক্তি, নামেই শক্তি নামের মাধ্যমে অলৌকিক অভিজ্ঞতা | রোহিণী কুমার মজুমদারের কাহিনী শ্রীশ্রী রামঠাকুরের বাণী: “নামেই সব সম্ভব” – এক সত্য ঘটনা কৈবল্যনাথের উপদেশ: নাম জপে জীবনের রূপান্তর নাম শক্তির প্রমাণ: চোখ বন্ধ করে পথ চলার বিস্ময়কর ঘটনা শ্রীশ্রী রামঠাকুর: বিশ্বাস, নাম ও অলৌকিক অভিজ্ঞতার সত্য কাহিনী শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথ: নামের মহিমা ও আধ্যাত্মিক শক্তির অলৌকিক প্রকাশ নাম জপের অসীম শক্তি | শ্রীশ্রী রামঠাকুরের দিব্য লীলা শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথের কৃপা: নামেই মুক্তি, নামেই শক্তি নামের মাধ্যমে অলৌকিক অভিজ্ঞতা | রোহিণী কুমার মজুমদারের কাহিনী শ্রীশ্রী রামঠাকুরের বাণী: “নামেই সব সম্ভব” – এক সত্য ঘটনা কৈবল্যনাথের উপদেশ: নাম জপে জীবনের রূপান্তর নাম শক্তির প্রমাণ: চোখ বন্ধ করে পথ চলার বিস্ময়কর ঘটনা শ্রীশ্রী রামঠাকুর: বিশ্বাস, নাম ও অলৌকিক অভিজ্ঞতার সত্য কাহিনী Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel) on এপ্রিল ২৪, ২০২৬ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.