কৌশিকাশ্রমের নন্দনকানন — ঠাকুরের বর্ণনা
ঠাকুর কৌশিকাশ্রমের নন্দনকানন সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন যা পড়ে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না। খরস্রোতা মন্দাকিনি পার হইয়া যাওয়া খুবই কঠিন — শিলাখণ্ড পার হইতে খুবই সতর্ক হতে হয়। কোথাও এক কণা মাটি নেই; তবু পাষাণের বুক চিরিয়া মাথা তুলিয়া দাঁড়াইয়া আছে অসংখ্য ফলফুলের গাছ।
ঠাকুর বর্ণনা অনুযায়ী নন্দনকাননের ফলগুলোর যে পাঁচপ্রকার রূপ— সেগুলো নিম্নরূপঃ
- আম্রজাতীয় এক প্রকার ফল: লতায় জন্মে; আঁটি খুবই ছোট।
- বেলের মত লতায় জন্মানো ফল: গঠনে বেল-এর সাদৃশ্য।
- ছোট ছোট কলা: চারি-পাঁচ ইঞ্চি লম্বা কলা, ছোট কলাগাছের মতো জন্মায়।
- ছোট হলুদ ফল: ছোট ছোট, রঙ হলুদ, অত্যন্ত মিষ্টি স্বাদ।
- আলুর মতো ফল: পাথরের মাঝে জন্মানো—আকৃতিতে আলুর সদৃশ।
এই ফলগুলি যতই খাওয়া হোক না কেন, কখনো ফুরাবে না—স্বাদ আর গন্ধ—উভয়ই অনবদ্য। এমন মনোরম ও অলৌকিক উদ্যানের নাম — নন্দনকানন।
জয়রাম জয়গোবিন্দ 🌺🌿
"কৈবল্যনাথ স্মরণে" — ডাঃ খগেন্দ্রনাথ গুপ্ত
আপনি চাইলে আমি এই পোস্ট থেকে ছোট excerpt, সামাজিক শেয়ার ক্যাপশন বা 16:9 সোশ্যাল ইমেজ টেক্সট (থাম্বনেইল 1200×675) তৈরি করে দিতে পারি। বলুন কোনটা চান।
প্রস্তাবিত হ্যাশট্যাগ: #নন্দনকানন #কৌশিকাশ্রম #শ্রীশ্রীরামঠাকুর #কৈবল্যনাথ_স্মরণে #জয়রাম #জয়গোবিন্দ
শ্রীশ্রী রামঠাকুরের ছদ্মবেশ — সত্যনারায়ণ পুজায় সিন্নি বিতরণ
শ্রীশ্রী রামঠাকুর বিক্রমপুরে (বাংলাদেশ) জনৈক ভক্তের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। একদিন তাঁর আশ্রিত শ্রী দিগেন্দ্রনাথ ঘোষাল শ্রীশ্রী রামঠাকুরকে তাঁর বাড়িতে শ্রীশ্রী সত্যনারায়ণ পূজায় উপস্থিত থাকতে নিমন্ত্রণ করলেন এবং নিজে এসে ঠাকুরকে নিয়ে যাবেন বলে জানালেন।
ইহা শুনে শ্রীশ্রী রামঠাকুর বললেন যে, তাঁকে যেতে হবে না — তিনি নিজে যেতে পারবেন। দিগেন্দ্রবাবু চলে যান এবং ঠাকুরের কথা মনে করে যথাসময়ে পূজার আয়োজন করে উপস্থিতির প্রতীক্ষা করতে থাকেন।
এমন সময় এক বৃদ্ধ ভিখারী এসে প্রসাদ পেতে পীড়াপীড়ি করতে থাকে। তখনও পূজা সম্পূর্ণ হয়নি। তবুও দিগেন্দ্রবাবু নিবেদিত ভোগের অগ্রভাগ সরিয়ে রেখে বাকি অংশ দিয়ে সিন্নি তৈরি করে ভক্তি সহকারে ঐ ভিখারীকে দেন। প্রসাদ পেয়ে ভিখারী তৃপ্তি নিয়ে চলে যান।
সেইদিন শ্রীশ্রী রামঠাকুর স্বাভাবিকভাবে দিগেন্দ্রবাবুর আয়োজিত পূজায় উপস্থিত হননি। ফলে দিগেন্দ্রবাবু দুঃখিত হ'লেন এবং পরের দিন ঠাকুরকে তাঁর না যাওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে শ্রীশ্রী রামঠাকুর বললেন যে তিনি (ঠাকুর) বৃদ্ধ ভিখারীর রূপে সত্যনারায়ণ পুজায় সিন্নি তৃপ্তি সহকারে গ্রহণ করেছিলেন।
এই ঘটনা শুনে দিগেন্দ্রবাবু আনন্দিত হয়ে শ্রীশ্রী ঠাকুরকে প্রণাম করলেন। ঘটনার এই বর্ণনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে শ্রীশ্রী রামঠাকুর ছদ্মবেশে (ভিখারীর রূপে) সত্যনারায়ণ পূজায় উপস্থিত হয়ে বিনয়ের সহিত প্রসাদ গ্রহণ ও বিতরণ করলে তিনি সন্তুষ্ট থাকেন।
গ্রন্থ: শ্রীশ্রী রামঠাকুরের অলৌকিক কার্যকলাপ (দ্বিতীয় খন্ড)
/p>
🌸🌸 জয় গোবিন্দ — জয় রাম — জয় সত্যনারায়ণ
প্রস্তাবিত হ্যাশট্যাগ: #শ্রীশ্রীরামঠাকুর #সত্যনারায়ণ #বিক্রমপুর #আলৌকিক_ঘটনা #জয়গোবিন্দ
কাশীর নানকঘাটে: এক সাধুর সাক্ষাৎ — শ্রীশ্রী রামঠাকুরের স্মৃতি
আমরা সাধুর নিকট দিয়া যাইবার সময় সাধু বলিলেন, "বাচ্চা আও"।
হরে কৃষ্ণ 🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏 কৃষ্ণ কৃষ্ণ 🙏 হরে হরে 🙏
হরে রাম 🙏 হরে রাম 🙏 রাম রাম 🙏 হরে হরে 🙏
সুপ্রভাত। কাশীতে অবস্থান কালে একদিন শ্রীঠাকুর আমাকে নানকঘাটে স্নান করাইতে লইয়া গেলেন। নানকঘাটের সন্নিকটে নানকপন্থীদের একটি আশ্রম ছিল। আশ্রমটির প্রাচীরের বাইরে বাঁধন স্বল্প পরিসরে একটি চাতাল ছিল।
কিছু দূর হইতে দেখিলাম ঐ চাতালের উপর একজন সাধু বাসিয়া আছেন। ঐ সাধু স্থূলকায় লোলচর্ম — সমস্ত দেহের মাংস ঝুলিয়া পড়িয়াছে। এমনকি চক্ষের উপরের চামড়াও এমন ভাবে ঝুলিয়া পড়িয়াছে যে চক্ষুটি একেবারেই ঢাকা পড়িয়া গিয়াছে।
আমরা সাধুর নিকট দিয়া যাইবার সময় সাধু বলিলেন, "বাচ্চা আও"। ঠাকুর সেই সাধুর নিকট গেলে তিনি ঠাকুরকে বুকে জড়াইয়া ধরিলেন। অন্য হাতে চক্ষের উপর ঝুলিয়া পড়া চামড়া টানিয়া তুলিয়া বলিলেন, "আচ্ছা হ্যায় তো?"
শ্রীঠাকুর কি বলিলেন বুঝিতে পারিলাম না। সাধুর সহিত অন্য কোন কথাই হইল না। ঠাকুরের সহিত ঘাটের সিঁড়িতে নামিতে নামিতে আমি জিজ্ঞাসা করিলাম — ঐ সাধু আপনাকে কেন বাচ্চা বলিলেন? ঐ সাধুর বয়স কত হইবে?
শ্রীঠাকুর বলিলেন, ঐ সাধুর বয়স আমার চেয়ে অনেক বেশী, তার বয়স প্রায় তিন শত বৎসর। আর কিছু জিজ্ঞাসা করিবার পূর্বে তিনি অন্য প্রসঙ্গ আরম্ভ করিলেন। আমি গঙ্গায় অবতরণ করিয়া অবগাহন করিলাম। স্নান অন্তে ফিরিবার পথে আর ঐ সাধুকে দেখিতে পাইলাম না।
জয়রাম
— শ্রী রোহিণী কুমার মজুমদার।
"শ্রীগুরু শ্রীশ্রীরাম ঠাকুর"
প্রস্তাবিত হ্যাশট্যাগ: #শ্রীশ্রীরামঠাকুর #নানকঘাট #কাশী #ভক্তিগল্প #আধ্যাত্মিকতা #জয়রাম
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
December 04, 2025
Rating:







.jpg)
No comments: