শান্তিপুরে শ্রীশ্রীরামঠাকুর ও গোপীনাথ বিগ্রহের অলৌকিক লীলা
জয় রাম জয় রাম জয় গোবিন্দ
মহেন্দ্র চন্দ্র চক্রবর্তীর শান্তিপুরস্থিত নিজ বাড়িতে শ্রীশ্রীরামঠাকুর কিছুদিন অবস্থান করিয়াছিলেন। এই সময় ঠাকুরের দুই-একটি অলৌকিক বিভূতির পরিচয় তিনি নিজেই প্রত্যক্ষ করেন।
মহেন্দ্র চন্দ্র চক্রবর্তীর গৃহে জ্যেঠা গোপীনাথ নামে এক বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত ছিল। ঠাকুর নিয়মিত গোপীনাথের সেবা-পূজা করিতেন। তাঁর সেবার প্রভাবে পাষাণ দেবতা গোপীনাথ জাগ্রত দেবতায় পরিণত হন।
ঠাকুর মন্দিরের দ্বার বন্ধ রাখিতেন। বাহির হইতে স্পষ্ট শোনা যাইত— মন্দিরের ভিতরে মধুর নূপুরধ্বনি, যেন কেউ নৃত্য করিতেছে। এই অলৌকিক ধ্বনি উপস্থিত সকলকে বিস্মিত করিত।
গোপীনাথের অফুরন্ত প্রসাদ লীলা
গোপীনাথের সান্ধ্যভোগের বরাদ্দ ছিল এক জোড়া সন্দেশ। একদিন ঠাকুর শান্তিপুরের বহু ভক্তকে গোপীনাথের প্রসাদ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান।
দামোদর মুখোপাধ্যায় মহাশয় এই আমন্ত্রণের পূর্বে কিছুই জানিতেন না। সন্ধ্যার পর বহু লোক উপস্থিত হলে তিনি কিছুটা বিচলিত হন। কিন্তু ঠাকুর আশ্বাস দেন— “উদ্বিগ্ন হইবার কারণ নাই, উপস্থিত মতই বিধান হইবে।”
আশ্চর্য ঘটনা! গোপীনাথের ভাণ্ডার যেন অফুরন্ত। উপস্থিত প্রত্যেক ভক্তই এক জোড়া করিয়া সন্দেশ প্রসাদ লাভ করেন। অথচ শেষে দেখা যায়, এক জোড়া সন্দেশ তখনও পাত্রেই অবশিষ্ট রহিয়া গেছে। এই দৃশ্য দেখে সকলেই বিস্ময়ে অভিভূত হন।
ঠাকুরের সূক্ষ্মদেহে বিচরণ
দামোদর মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের বর্ণনা অনুযায়ী, ঠাকুর তৎকালীন সময়ে সূক্ষ্মদেহে বিচরণ করিতেন। একই সময়ে তাঁকে কলিকাতা ও সিমলা—উভয় স্থানে দর্শন করা গিয়াছে।
“এই সকল লীলা মানববুদ্ধির অতীত। ইহা কেবলমাত্র জাগ্রত গুরুতত্ত্বেরই প্রকাশ।”
— শ্রীশ্রীরামঠাকুরের কথা
মহেন্দ্র চন্দ্র চক্রবর্তী
পৃষ্ঠা: ৪০–৪১
জয় রাম জয় রাম জয় গোবিন্দ
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
December 21, 2025
Rating:






.jpg)
No comments: