Sri Sri Ram Thakur is a revered spiritual master whose teachings continue to inspire countless devotees across India and around the world. The website serves as a comprehensive digital platform dedicated to preserving, promoting, and sharing the divine life, teachings, philosophy, and spiritual legacy of Sri Sri Ram Thakur, lovingly known as Dayal Thakur, Sri Sri Kaibalyanath, and Sri Sri Satyanarayan by his followers. Born as Ram Chandra Dev in Dingamanik, Faridpur (present-day Bangladesh)

আজ হইতে আমার সমস্ত সন্দেহের অবসান হইল | শ্রীশ্রী রামঠাকুরের লীলা

 

আজ হইতে আমার সমস্ত সন্দেহের অবসান হইল | শ্রীশ্রী রামঠাকুরের লীলা

আজ হইতে আমার সমস্ত সন্দেহের অবসান হইল

শ্রীশ্রী রামঠাকুরের এক অপূর্ব লীলাকাহিনি

জয় রাম জয় গোবিন্দ

শুভ সকাল

“আজ হইতে আমার সমস্ত সন্দেহের অবসান হইল।”

শ্রীশ্রী ঠাকুরের চরণ ধরিয়া বার বার ক্ষমা ভিক্ষা করিলাম।

— রোহিণী কুমার মজুমদার

শ্রীঠাকুরের রহস্যময় লীলা

একদিন সন্ধ্যার পর একাকী বেড়াইয়া বাড়ি ফিরিতেছিলাম, এমন সময় দেখি শ্রীঠাকুর আমাদের বাড়ির নিকট একটি মিষ্টির দোকানে প্রবেশ করিলেন।

আমি দোকান হইতে একটু দূরে দাঁড়াইয়া দেখিলাম, ঠাকুর এক হাঁড়ি রাবড়ি হাতে লইয়া বাহির হইয়া বাড়ির দিকে রওয়ানা হইলেন।

রাস্তায় চলার সময় শ্রীঠাকুর কখনও পিছন ফিরিয়া তাকাইতেন না। সুবিধা বুঝিয়া আমি ঠাকুরের পিছন পিছন চলিলাম।

রাবড়ির হাঁড়ি কোথায় গেল?

দেখিলাম, শ্রীঠাকুর চলিতে চলিতে বাড়ির দরজা অতিক্রম করিয়া গেলেন।

কয়েকখানি বাড়ির পরে একটি পুকুরের ধারে একটি আঁস্তাকুড় ছিল। সেখানে ভাঙ্গা হাঁড়ি, ছেঁড়া মাদুর, ছেঁড়া বালিশ ও নানা রকমের আবর্জনা ফেলা হইত।

স্থানটি নানারকমের জঙ্গলা গাছে ভর্তি।

সেই আঁস্তাকুড়ে রাবড়ির হাঁড়িটি রাখিয়া শ্রীঠাকুর বাড়ির দিকে রওয়ানা হইলেন।

ঠাকুরের কাছে সত্য প্রকাশ

ঠাকুরকে বাড়িতে ফিরিতে দেখিয়াই আমি একরকম দৌড়াইয়া বাড়ি ফিরিয়া আসিলাম।

বাড়ি ফিরিয়া ঠাকুর হাত-মুখ ধুইয়া নিজের বিছানায় গিয়া বসিলেন।

আমি ভয়ে ভয়ে ঠাকুরের কাছে আসিয়া বসিলাম। তাহার পায়ে হাত বুলাইতে বুলাইতে বলিলাম,

“ঠাকুর, আজ বড় অন্যায় কাজ করিয়াছি। আপনি প্রায়ই রাবড়ি আনেন অথচ খান না। আজ তাই রাবড়ির হাঁড়িটি হাতে করিয়া দোকান হইতে বাহির হইলেন দেখিয়া আমি আপনার পিছন পিছন গিয়াছিলাম।”

“দেখিলাম, আপনি রাবড়ির হাঁড়িটি একটা আঁস্তাকুড়ের ভিতরে রাখিয়া বাড়ি ফিরিয়া আসিলেন। আপনাকে ফিরতে দেখিয়া আমি দৌড়াইয়া আপনার পূর্বেই বাড়ি আসিয়াছি।”

শ্রীঠাকুরের উত্তর

শ্রীঠাকুর বললেন,

“দেখেন না, ঐ আত্মাটি (যেটি আমাদের বাড়িতে আছে) আমারে সারা রাত্রি ধরিয়া ঘুমাইতে দেয় না। সমস্ত রাত্রি ধরিয়া আমার নিকট রাবড়ি চায়।”

“ঐ আত্মাটির এত অনুরোধ সহ্য করিতে না পারিয়া আজ তাহাকে রাবড়ি খাওয়াইয়া আসিলাম।”

দোকান হইতে রাবড়ি বাকিতে আনিয়াছি। আগামীকাল আপনি ঐ দোকানে দুই টাকা চার আনা দিয়া আসিবেন।

রাবড়ি সত্যিই কি খাওয়া হয়েছিল?

রাবড়ি ঐ আত্মাটি সত্যসত্যই খাইয়াছে কিনা এবং কেমন করিয়া খাইল জিজ্ঞাসা করিলে শ্রীঠাকুর বলিলেন,

“রাবড়ির হাঁড়িটি রাখিবার মাত্র একটি কালো ছায়া ঐ হাঁড়ির উপর আসিয়া পড়িল।”

“একটা চপ চপ মতন শব্দ শুনিতে পাইলাম।”

“আপনি নিজেই গিয়া রাবড়িপূর্ণ হাঁড়িটি কি অবস্থায় রহিয়াছে দেখিয়া আসেন।”

আঁস্তাকুড়ে গিয়ে দেখা

আমি তখনই একটি জ্বলন্ত হারিকেন হাতে করিয়া সেই আঁস্তাকুড়ে গিয়া দেখিলাম—

রাবড়িপূর্ণ হাঁড়িটি একেবারেই খালি পড়িয়াছে।

বাড়ি ফিরিয়া আসিয়া শ্রীঠাকুরকে বললাম,

“আজ হইতে আমার সমস্ত সন্দেহের অবসান হইল”

“আজ হইতে আমার সমস্ত সন্দেহের অবসান হইল।”

শ্রীশ্রী ঠাকুরের চরণ ধরিয়া বার বার ক্ষমা ভিক্ষা করিলাম।

শ্রীঠাকুর আমার গায়ে ও মাথায় হাত বুলাইয়া দিলেন।

শ্রীগুরু শ্রীশ্রী রামঠাকুর

জয় রাম জয় গোবিন্দ 🙏

এই লীলাকাহিনিতে রোহিণী কুমার মজুমদারের নিজের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শ্রীশ্রী ঠাকুরের প্রতি তাঁর সন্দেহ কীভাবে সম্পূর্ণ দূর হয়ে গেল, সেই উপলব্ধির কথাই প্রকাশ পেয়েছে।

ভক্তির পথে বিশ্বাস, শ্রদ্ধা ও আত্মসমর্পণের যে গভীর অনুভূতি রয়েছে, এই ঘটনাটি সেই অনুভূতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩১ হইতে
— রোহিণী কুমার মজুমদার
জয় রাম 🌺 জয় গোবিন্দ
>যে মানুষ বারবার কষ্ট দেয়, তার কাছেই কেন ফিরে যাই? | ভগবদ্গীতার শি
আজ হইতে আমার সমস্ত সন্দেহের অবসান হইল | শ্রীশ্রী রামঠাকুরের লীলা আজ হইতে আমার সমস্ত সন্দেহের অবসান হইল | শ্রীশ্রী রামঠাকুরের লীলা Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel) on আগস্ট ২৬, ২০২৬ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.