🌺 শ্রীশ্রী গুরুগীতা — গুরুর মহিমা ও বন্দনা 🌺
যিনি জ্ঞানরূপ অঞ্জন পরাইয়া মোহান্ধকারে অন্ধীকৃত ব্যক্তির জ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত ও উজ্জ্বল দৃষ্টিযুক্ত করিয়াছেন, যাঁহার প্রভাব বা মাহাত্ম্য জগৎত্রয়ে ব্যাপ্ত এবং যাঁহার নিকট হইতে তত্ত্বজ্ঞান লাভ করা যায়—সেই শিবরূপী নিজ গুরুর বন্দনা আমরা শ্রীশ্রী গুরুগীতার স্তোত্রগুলিতে দেখতে পাই।
গুরু ব্রহ্মা, গুরু বিষ্ণু, গুরু মহেশ্বর; গুরু তীর্থ, গুরু যজ্ঞ, গুরু দান, গুরু তপস্যা, গুরু অগ্নি, গুরু সূর্য। জগতের স্থাবর ও জঙ্গম যাহা কিছু দেখা যায়—এক কথায় অনন্ত কোটি ব্রহ্মাণ্ডের অন্তর্গত সমস্ত সত্তা ও তত্ত্বের মধ্যেই গুরুর মহিমা বিরাজমান।
গুরুরাদিরনাদিশ্চ গুরুঃ পরমদৈবতম্।
গুরোঃ পরতরং নাস্তি তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ।।
🌼 শ্লোকের অর্থ
অর্থাৎ শ্রীগুরুদেবই সকল বস্তুর আদি এবং অনাদি। শ্রীগুরুদেবই পরম দেবতা। শ্রীগুরুদেবের উপরে শ্রেষ্ঠ বস্তু আর কিছুই নাই। সেই পরম পূজনীয় শ্রীগুরুদেবকে আমরা প্রণাম করি।
গুরু কেবল একজন শিক্ষক নন; গুরু হলেন সেই পরম পথপ্রদর্শক, যিনি অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে জ্ঞানের আলোয় শিষ্যের অন্তরকে আলোকিত করেন। তাঁর কৃপায় জীব তত্ত্বজ্ঞান লাভ করে এবং আত্মস্বরূপ উপলব্ধির পথে অগ্রসর হয়।
🕉️ কৈলাসে গুরুগীতার অমৃতবাণী
পরম রমণীয় কৈলাস পর্বতের শিখরে, ভক্তি-সাধনার শ্রেষ্ঠ পাত্র দেবাদিদেব মহাদেব শঙ্করের মুখে দেবী পার্বতী অমৃততুল্য ও অত্যন্ত গোপনীয় গুরুগীতা শ্রবণ করেছিলেন।
গুরুগীতার এই অমৃতবাণী শ্রবণ ও মনন করলে দুর্লভ মানবজীবন ধন্য হয়। গুরুর তত্ত্ব, গুরুর মহিমা এবং গুরুকৃপাই যে আত্মজ্ঞান লাভের অন্যতম প্রধান আশ্রয়—গুরুগীতার বাণীতে সেই গভীর সত্যই প্রকাশিত হয়েছে।
🌺 জয় শ্রীগুরুগীতা 🌺
🕉️ জয় গোবিন্দ 🕉️
🙏 জয়রাম 🙏
গুরুর চরণে প্রণাম
গুরুকৃপায় জ্ঞান, ভক্তি ও আত্মোপলব্ধির পথে এগিয়ে চলি।
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
আগস্ট ১৭, ২০২৬
Rating:






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: