ঠাকুরের সঙ্গে মনুষ্যেতর জীবজস্তূদের একটা ঘনিষ্ট অন্তরঙ্গতা ছিল কিন্তু বিষয়টা আমাদের সাধারণ বুদ্ধির অগম্য। ঠাকুরের সঙ্গে এই কথাটা লইয়া আলোচনা করিবার সুযোগ আমি একাধিকবার পাইয়াছি এবং তাঁহার কথার ভাবে যাহা বুঝিয়াছি তাহাই সংক্ষেপে এইখানে বলিবার চেষ্টা করিব। পূর্ব্বেই বলিয়াছি যে ঠাকুর বলিতেন যে নিজের মধ্যে হিংসা না থাকিলে অপরেও হিংসা করে না। একদিন প্রসঙ্গক্রমে আমাকে বলিয়াছিলেন যে "প্রাণে'র সঙ্গে আত্মীয়তা করিয়া লইতে পারিলে সকল "প্রাণীই আত্মীয় হইয়া যায়, কাহারও সহিত আর কোন বাদ-বিসম্বাদ থাকে না। প্রাণমূলতঃ এক, আধার-ভেদে বিভিন্ন বলিয়া
রঙও সাদা, লাল, হলুদ প্রভৃতি নানা রকমের হইতে পারে কিন্তু যে-বৈদ্যুতিক শক্তির প্রভাবে ইহারা জ্বলে তাহাএকই, প্রাণও ঠিক তদ্রুপই। বিভিন্ন জীবে আবরণ-ভেদে পৃথক বলিয়া মনে হইলেও বস্তুটি এক এবং এই প্রাণকেম্বর, পতঃ বুঝিতে পারিলে যাবতীয় প্রাণীকেই বুঝিতে পারা যায়। ইহাই মিত্রভাবের ভিত্তি। রাম ঠাকুরের কথা ইন্দু ভূষণ বন্দোপাধ্যায় (পৃঃ ১৩২) জয় রাম জয় গোবিন্দ
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: