জয় জয় শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ।
৩/১৮৯। “ গুরু বলতে নামই গুরু। গুরুর সঙ্গে সম্বন্ধ পরমানন্দ ভাব; নামের অর্থ চিন্তামণি। নাম প্রতিষ্ঠা করিয়া থাকিলে এবং সর্ব্বদা নামের পরিচর্য্যা করিতে করিতে নামে রুচি হয়। নামের রুচি হইতে নাম সংকীর্ত্তন হয়, ইহাকেই নিত্যানন্দ বলে। সেই নাম আর রূপ, ভাব , ভক্তি একই জিনিষ। যেখানে নাম প্রতিষ্ঠা হয় সেখানেই বৃন্দাবন নিভৃত স্থান। সেই স্থান ছাড়া কোথাও ঐশ্বর্য্যাদি বৈভব আকর্ষণ করিতে পারে না। ঐ নামই গুরু, ভাই ভগনী, পিতা মাতা, আত্মীয়, বন্ধু বান্ধবাদি সকল। নাম বৈ জগতে কোন প্রকৃতিই স্থির থাকে না। নামই থাকিয়া যায়। গুরুর সঙ্গে সম্বন্ধ প্রেমানন্দ; শিষ্য আর গুরু প্রেমরতি, ভাবরতি, মুগ্ধারতি, একবশে মগ্ন হইয়া যায়। প্রাণাদি যত তত্ত্ব উদ্ভব হয় সকলি ভগবানের বিভূতি মাত্র। যুগল ভজন করিতে করিতে ভবঃঋণ শোধ হয় অর্থাৎ নামের সঙ্গে প্রেম করিতে করিতে ভাব হয়, এই ভাবেই সকল বিভাব হরণ করিয়া পরমানন্দ ধামে আকর্ষণ করিয়া লয়। এতদ্ভিন্ন অন্যান্য সাধন ভজন কোনরূপ উপাদানে তাঁহার গোচরে যাইতে পারে না। বাসনাজালে কর্ত্তা হইয়া পতিপরা হারাইয়া অগাধ মায়াজালে আবদ্ধ হয়। এই মায়া হইতেই নানান প্রলোভনে পড়িয়া নানাবিধ জল্পনা কল্পনায় দেবাসুরের তরঙ্গে পড়িয়া হাবীডুবী খায়। নামের উদয় থাকে না। অতএব সুখের জন্য দুঃখ সর্ব্বদাই প্রহরী জানিবে। কেবল নাম করিয়া যাইবে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: