দেখিলাম যে আচার্য্য মহাশয় তাহার ঘরে তত্তাপোশের উপর বসিয়া রহিয়াছেন, সমস্ত পরিবারটিই সেখানে। আচায মহাশয় ঠাকুর প্রসঙ্গ করিতেছেন এবং সকলে তন্ময় হইয়া তাহাই শুনিতেছে। একটি গভীর শোক-সন্তপ্ত পরিবারে এমন একটি সুস্থ শান্ত চিএ জীবনে আর কখনও দেখি নাই। শুধু, আচার্য্য মহাশয়ের প্রভাবেই ইহ। সম্ভব হইয়াছিল। তিনি আমাকে একাধিকবার বলিয়াছেন যে যে-বস্তুর সন্ধানে দুই দুই বার ভারতের প্রায় সমস্ত তীথ পরি ভ্রমণ করিয়া বেড়াইয়াছেন, আমাদের ভাগ্যে বৃদ্ধ বয়সে তাহা তিনি ঘরে বসিরাই পাইয়াছেন। ঠাকুরকে যে তিনি কি চক্ষে দেখিতেন, সামান্য এক কথাতেই তাহা বুঝা যাইবে। বৈকালে ভাগবতেরকিছুটা অধ্যয়ন করা আচার্য্য মহাশয়ের নিত্যকর্ম্মে'র মধ্যে ছিল। তিনি নিয়ম মত বৈকালে ভাগবত খুলিয়া বসিয়াছেন এমন সময় ঠাকুর আসিয়া উপস্থিত হইলেন। ঠাকুরকে দেখিয়া আচায্য মহাশর উঠিতে যাইতেছেন, এমন সময় ঠাকুর বলিলেনঃ "আপনে ভাগবত পড়েন। আচার্য্য মহাশয় একবার সম্মুখে বিলম্বিত ভাগবতের দিকে এবং একবার ঠাকুরের দিকে অঙ্গুলী নিন্দে'শ করিয়া বলিলেন। কোন ভাগবত, এই ভাগবত, না ঐ ভাগবত ?"
জয় রাম জয় গোবিন্দ রাম ঠাকুরের কথা ইন্দু ভূষণ বন্দোপাধ্যায় পৃঃ (১০৯)
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: