অত শীঘ্র আমাদের এই অবস্থায় ফেলিয়া ঠাকুর চলিয়া যাইবেন। যতদূর মনে পড়ে তাঁহার দেহত্যাগের কয়েক মাস পূর্ব্বেই তিনি খুব অসুস্থ অবস্থায় মৃদুস্বরে বলিয়াছিলেন, 'ইচ্ছা না হইলে ত মৃত্যু হইবে না।" এই কথা স্মরণ করিয়া মনে করিতাম যে তাঁহার শ্রীদেহ ত্যাগের অনেক গৌণ আছে। যদি কেহ তাঁহার শ্রীদেহ সম্পর্কে কোন কথা তুলিত আমি জোর করিয়া বলিতাম যে আরও অনেক গৌণ আছে। এই কারণেই প্রথমতঃ খুবই বিষণ্ণ হইয়াছিলাম। এই সম্পর্কে একটি বৈষ্ণব ভক্তের কথা অনেক সময় মনে পড়ে। ঠাকুরের দেহত্যাগের পরের দিন সীতানাথ বৈষ্ণব আমার বিষণ্ণ বদন দেখিয়া আমাকে আশ্বাস দিয়া বলিল, 'দাদা! আপনার বিষণ্ণ হওয়ার বিশেষ কোন কারণ নাই। দেখিতে পাইবেন যে প্রকট অবস্থা অপেক্ষা অপ্রকট অবস্থায় শ্রীশ্রীঠাকুর আপনাদিগকে অনেক বেশি শক্তি দিবেন।' পরবর্তী সময়ের অভিজ্ঞতা হইতেও বুঝিতেছি তাহার কথা খুবই সত্য। তিনি দেহে নাই বটে, কিন্তু সকল সময়, সকল অবস্থায় শান্তি দিতেছেন এবং কোন অভাবই অপূর্ণ রাখেন না। ধৈর্য্যের অভাবেই আমরা সময় সময় অনর্থক কষ্ট পাইয়া থাকি।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: