একজন বিশিষ্ট ভক্ত ঠাকুরকে আমসত্ত্ব দিয়ে ভোগ দিয়েছিলেন। ঠাকুর তার বাড়ি থেকে বহু দূরে অবস্থান করছিলেন। অনেকদিন পর ঠাকুরের দর্শন লাভ হলে তিনি তার গৃহে ঠাকুরকে পদধূলি দেবার জন্য প্রার্থনা জানালেন। ঠাকুর মৃদু হেসে বললেন, 'আমি আপনের বাড়ির ফটোতেই আছি। আপনে আমসত্ত্ব দিয়া ভোগ দিয়াছিলেন তাহাও আমি গ্রহণ করেছিলাম। ভক্তটি বিস্মিত ও অভিভূত হয়ে ঠাকুরের পায়ে মাথা লুটিয়ে প্রণাম করে নিজেকে ধন্য মনে করতে লাগলেন। আবার একদিন অতুলবাবু'র স্ত্রী যখন বড় মেয়ের বিবাহের জন্য খুব দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, স্বামী নেই, একা মেয়ে মানুষ কি করে কি করবেন কিছুই বুঝতে পারছেন না। সেই দুঃসময়ের দিনটিতে আবার হঠাৎ ঠাকুর এসে উপস্থিত। অতুলবাবুর স্ত্রীর করুণ দূরবস্থা দেখে করুণা হলো। একটি পাত্রের সন্ধান পেয়ে ঠাকুর নিজেই পাত্রের বড় ভাইকে পত্র লিখলেন, 'আমার একটি বিবাহযোগ্য কন্যা আছে। আপনি যদি কৃপা করিয়া আপনার ভাইয়ের সহিত বিবাহের ব্যবস্থা করিয়া দেন, তবে আমি আপনার নিকট চির ঋণে আবদ্ধ থাকিব।' তারপর বিবাহের ব্যবস্থা ঠিকমতই হয়ে গেল। এইভাবে ঠাকুর অতুলবাবুর স্ত্রীকে কন্যাদায় থেকে উদ্ধার করেছিলেন।
কৃপাসিন্ধু রামঠাকুর
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: