🌼 প্রসাদে কোনও দোষ থাকে না — শ্রীশ্রী ঠাকুরের কৃপালীলা
🪔 কাহিনী
সেদিন একটু বেশি রাতেই শরৎচন্দ্র স্বগৃহে ফিরে যেতে পেরেছিলেন। এরপর থেকে তিনি প্রতিদিন কখনও প্রভাতে, কখনও মধ্যাহ্নে, আবার কখনও সন্ধ্যায় ঠাকুরের দর্শনে আসতেন।
একদিন ডা. দাশগুপ্ত বহু ভক্তকে দলে দলে প্রসাদ গ্রহণের জন্য ডাকছিলেন। রাত প্রায় ন’টা বেজে গেছে, অথচ শরৎচন্দ্রের ডাক পড়েনি।
পরবর্তীবার যখন ডাক পড়ল, শরৎচন্দ্রও সবার সঙ্গে এগোতে লাগলেন। কিন্তু পিছন থেকে ডা. দাশগুপ্ত তাঁকে থামিয়ে বললেন— “দাদা, আজকের প্রসাদ আপনার শরীরের পক্ষে ভালো নয়। রাতও অনেক হয়েছে, আপনি বাড়ি ফিরে যান।”
কিন্তু ভক্ত হৃদয় মানে না যুক্তির বাঁধা। শরৎচন্দ্র বললেন— “সকলেই যখন প্রসাদ পাচ্ছেন, আমি কেন পাব না?”
একদিকে চিকিৎসকের যুক্তি, অন্যদিকে ভক্তির আকুলতা—দু’জনের তর্ক চলছিল। এমন সময় ঠাকুরমহাশয় সেখানে এসে উপস্থিত হলেন।
সব শুনে তিনি মৃদু হেসে বললেন— “বৈষ্ণবঠাকুরকে প্রসাদে কেন বঞ্চনা করবেন? উনি তো উপকরণ খাইবেন না—প্রসাদ গ্রহণ করবেন। প্রসাদে কোনও দোষ থাকে না। আর যদি অসুবিধা হয়, আপনি তো চিকিৎসক আছেনই—দেখবেন।”
এই আশীর্বাদময় বাক্য শুনে শরৎচন্দ্র আনন্দে প্রসাদ গ্রহণ করলেন।
বাড়ি ফেরার সময় তিনি ডা. দাশগুপ্তকে বললেন— “আজ খুব ভালো প্রসাদ হয়েছে। আমি সম্পূর্ণ তৃপ্ত। কাল সকালে সুস্থভাবেই আপনার সামনে উপস্থিত হব—এই আমার বিশ্বাস।”
পরের দিন সত্যিই তিনি সুস্থভাবে উপস্থিত হলেন।
কিছুদিন পর, অসুস্থ অবস্থায়ও তাঁর মনে একটাই আকাঙ্ক্ষা— “ঠাকুর আবার কবে আসবেন? তাঁকে আবার দেখতে চাই।”
তিনি গভীর আবেগে বললেন— “তাঁর কাছে থাকলে মনে হয় যেন সব পেয়েছি। দূরে গেলে সেই সুর হারিয়ে যায়... তাই আবার তাঁকে দেখতে চাই।”
👉 সত্য ভক্তির শক্তি যুক্তির সীমা অতিক্রম করে।
👉 প্রসাদ কেবল খাদ্য নয়, এটি ঈশ্বরের কৃপা ও আশীর্বাদের প্রতীক।
👉 যেখানে বিশ্বাস আছে, সেখানে ভয় বা সন্দেহের স্থান নেই।
👉 আধ্যাত্মিক সংস্পর্শ মানুষের মনে এক গভীর শান্তি আনে।
🎥 ভিডিওটি দেখুন
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
March 18, 2026
Rating:






.jpg)
No comments: