বাসনার ফল ও ঠাকুরের কৃপা
এক অলৌকিক ঘটনা
এতক্ষণে মতিবাবুর সহধর্মিণীর মনে পড়লো—ঠাকুরমহাশয় মাংস ফেলে দেওয়ার কথা বলেছিলেন, কিন্তু তা পালন করা হয়নি। মাংসের গামলা নামাতে গিয়ে তিনি হঠাৎ চমকে উঠলেন। গামলার পাশে একটি বিড়াল মৃত অবস্থায় পড়ে আছে, আর মাংসের টুকরোটি তার মুখের পাশে। সহজেই বোঝা গেল—এই মাংস বিষাক্ত ছিল।
ভয়ে তার শরীর শুষ্ক হয়ে গেল। কারণ এই মাংসের কিছু অংশ ঠাকুরমহাশয় গ্রহণ করেছিলেন। তৎক্ষণাৎ মতিবাবুকে ডাকা হলো। সব শুনে মতিবাবু ভেঙে পড়লেন, বসে পড়লেন রান্নাঘরেই।
স্ত্রী অঝোরে কাঁদতে লাগলেন—"ঠাকুর! ঠাকুর!!" কাজের লোক মাংস ও মৃত বিড়াল ফেলে এল।
ঠাকুরের করুণা
রাতে অতিথিরা বিদায় নেওয়ার পর মতিবাবু ফিরে এসে দেখলেন—তার স্ত্রী ঠাকুরের চরণ ধরে কাঁদছেন।
এরপর ঠাকুর বারবার শৌচাগারে যেতে লাগলেন। মতিবাবু চিন্তিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলে ঠাকুর বললেন—
সারা রাত ধরে এই কষ্ট চলতে থাকল। মতিবাবু ডাক্তার আনতে চাইলে ঠাকুর বাধা দিলেন।
অসীম সহনশীলতা
রাত প্রায় তিনটা পর্যন্ত ঠাকুর কষ্ট সহ্য করলেন। অবশেষে বললেন—
ভোর হলো। ঠাকুর নিজেই মতিবাবু ও তাঁর স্ত্রীকে খাওয়ার ব্যবস্থা করতে বললেন। নিজের কষ্ট ভুলে তাঁদের চিন্তা করলেন।
ঠাকুরের উপদেশ
শেষে ঠাকুর অত্যন্ত গভীর সত্য কথা বললেন—
উপসংহার
এই ঘটনা আমাদের শেখায়— মানুষের সামান্য ইচ্ছাও কখনো কখনো বড় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সত্যিকারের মহাপুরুষেরা অন্যের দুঃখ নিজের ওপর নিয়ে তাদের রক্ষা করেন।
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
March 29, 2026
Rating:






.jpg)
No comments: