ভাগ্য, সত্য ও সাবিত্রী ব্রত
ইহাকেই সাবিত্রীব্রত বলে। ইহার দ্বারা সত্যবানকে সাবিত্রী কালের বন্ধন হইতে উদ্ধার করিয়া তিন কুল—পিতা (ধর্ম্ম), পতি (কর্ম্ম), পুত্র (পবিত্র, শুচি) উদ্ধার করিয়াছিলেন।
অতএব অখণ্ড সত্যকে ধরিয়া থাকিবেন, সত্যই যথাসম্ভব ভাগ্যফল হইতে উদ্ধার করিয়া লইবেন।
এই বাণীতে বলা হয়েছে—ভাগ্যই জীবনে ফল প্রদান করে। কিন্তু যখন এই ভাগ্যের উপর থাকা ‘আবরণ’ বা অজ্ঞতা দূর হয়, তখনই মানুষ প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করে, যা ভগবানরূপে প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ, শুদ্ধ চেতনায় পৌঁছানোই প্রকৃত ভাগ্যবান হওয়া।
২. সাবিত্রী ব্রতের আধ্যাত্মিক তাৎপর্য:
সাবিত্রী দেবী তাঁর অখণ্ড সত্যনিষ্ঠা ও দৃঢ় সংকল্পের দ্বারা সত্যবানকে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে আনেন। এখানে ‘কাল’ বা সময়ের বন্ধন থেকে মুক্তি পাওয়ার অর্থ হলো আত্মার চিরন্তন সত্যে প্রতিষ্ঠিত হওয়া।
৩. তিন কুলের প্রতীকী অর্থ:
এই বাণীতে পিতা, পতি ও পুত্রকে যথাক্রমে ধর্ম, কর্ম ও পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ, সত্যকে ধারণ করলে মানুষের ধর্ম, কর্ম ও চরিত্র—সবই শুদ্ধ ও মুক্ত হয়।
৪. অখণ্ড সত্যের সাধনা:
ঠাকুর নির্দেশ দিচ্ছেন—জীবনের সকল অবস্থায় সত্যকে আঁকড়ে ধরে থাকতে হবে। এই সত্যই মানুষকে ভাগ্যের বন্ধন থেকে মুক্ত করে এবং ঈশ্বরের সান্নিধ্যে নিয়ে যায়।
এই বাণীর মূল শিক্ষা হলো—সত্যের পথই মুক্তির পথ। যে ব্যক্তি সত্যে অবিচল থাকে, সে ধীরে ধীরে সকল বন্ধন অতিক্রম করে আত্মিক শান্তি ও ঈশ্বরপ্রাপ্তির দিকে অগ্রসর হয়।
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
মার্চ ১৭, ২০২৬
Rating:






.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: