শ্রীশ্রীঠাকুরের সরল জীবনযাপন
শেষের দিকে শ্রীশ্রীঠাকুরের সঙ্গে একটি থলে দেখা যেত। ওর ভেতর থেকে তিনি বের করতেন দাঁতের মাজনের মত কোন এক ওষুধ এবং চোখে দেবার জন্য লোশন জাতীয় কিছু। কেননা, ঠাকুর তখন দাঁতের ব্যথা ও দৃষ্টিশক্তির অসুবিধা বোধ করতেন।
ঐ সময়েই দেখা গেল ঠাকুর সাদা কেডস জুতো পরে এসেছেন। আমরা দেখে অবাক! বুড়ো বয়সে ঠাকুর বাবু সাজবেন নাকি! অবশ্য বৃদ্ধ বয়সের অশক্ত দেহের পক্ষে এ সবের প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল।
যে সকল ভক্ত ঠাকুরকে প্রয়োজন বিশেষে আরাম দেবার জন্য গরম কাপড়, খদ্দরের জামা, নিমা, জুতো ব্যবহারের ব্যবস্থা করেছিলেন, তাঁদের আন্তরিক ধন্যবাদ দিতাম।
শ্রীশ্রীঠাকুর গেরুয়াধারী সন্ন্যাসী ছিলেন না। সাধারণ দীনবেশে জনসাধারণের মধ্যে আত্মগোপন করে চলতেন।
যদি বাহ্যিকভাবে জটাজুটধারী, গেরুয়া পরিহিত, ত্রিশূল-কমণ্ডলুধারী সন্ন্যাসী হতেন, তবে রাস্তার লোক সরে দাঁড়াত, ট্রেনে বেঞ্চ ছেড়ে দিত এবং স্টীমারে বিছানা এগিয়ে দিত।
কিন্তু শ্রীশ্রীঠাকুর কারো কোন অসুবিধা বা কৌতূহলের সৃষ্টি না করে আপনভাবে চলাফেরা করতেন। তাঁর আদরের ভক্তগণ তাঁহার জন্য আরামের ব্যবস্থা করতে গিয়ে সফল হননি, তাঁকে বেশভূষায় সাজাতে গিয়েও সাধ মেটাতে পারে নি।
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
March 29, 2026
Rating:






.jpg)
No comments: