অবাক বিস্ময়ে তাকাইয়া দেখি শ্রীশ্রীঠাকুর নিজ চিত্রপটের সম্মুখে বসিয়া ধূপ, দীপ, শঙ্খ, ফুল, রুমাল ও ময়ূর পাখনা সহকারে নিবিষ্টমনে আরতি করিতেছেন, আমি হতভম্ব হইয়া এই অপুর্ব দৃশ্য অবলোকন করিতেছিলাম।
নাম সাধনার মাহাত্ম্য
সন্ধ্যাবেলা হলো দিনের এক সন্ধিক্ষণ। ঠাকুর বলতেন, মন তখন চঞ্চল থাকে। তাই এই সময়ে জোর করে হলেও নামের (জপ) আসনে বসতে হয়। ‘কাজ হওয়া’ বলতে তিনি বোঝাতেন মনের একাগ্রতা। শুরুতে মন স্থির না হলেও হাল ছাড়া যাবে না।
২. নিষ্কাম ভক্তি:
অনেক সময় আমরা ভাবি যে নাম করতে বসে মন বসছে না, তাই নাম করে লাভ নেই। কিন্তু ঠাকুর শেখাচ্ছেন যে ফল বা একাগ্রতার আশা না করে কেবল কর্তব্যের খাতিরে সকাল-সন্ধ্যা তাঁর স্মরণে বসা উচিত।
৩. নামের শক্তি:
তিনি বিশ্বাস করতেন নামের নিজস্ব এক অমোঘ শক্তি আছে। বারবার নাম করতে করতে একদিন মনের সব ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায় এবং ভগবানের নামের প্রতি এক স্বাভাবিক টান বা ‘নেশা’ তৈরি হয়। তখন আর জোর করে বসতে হয় না—নামই মানুষকে টেনে নেয়।
শ্রীশ্রীরাম ঠাকুরের মতে, সন্ধ্যার সময়টুকু শান্ত হয়ে বসে থাকা এবং মনের সব অস্থিরতা তাঁর চরণে সঁপে দেওয়াই হলো শ্রেষ্ঠ প্রার্থনা। তিনি বলতেন, "নামই সব, নামই ভগবান"।
তাই আপনি যদি এই সময়ে অন্তত ১৫–২০ মিনিট শান্ত হয়ে বসে তাঁর নাম স্মরণ করেন, তবে তা আপনার মানসিক শান্তির জন্য যথেষ্ট।
অবাক বিস্ময়ে তাকাইয়া দেখি শ্রীশ্রীঠাকুর নিজ চিত্রপটের সম্মুখে বসিয়া ধূপ, দীপ, শঙ্খ, ফুল, রুমাল ও ময়ূর পাখনা সহকারে নিবিষ্টমনে আরতি করিতেছেন, আমি হতভম্ব হইয়া এই অপুর্ব দৃশ্য অবলোকন করিতেছিলাম। ঠাকুর আরতি সম্পন্ন করিয়া ফিরিয়া আমাকে নত মস্তকে দাঁড়াইয়া থাকিতে দেখিয়া মৃদু হাসিয়া বলিলেন- "গৃহস্বামীর অনুপস্থিতিতে নারায়ণের ভোগের বিলম্ব দেইখা আপনের হইয়া আমিই ভোগ কার্য্য সমাধা করিলাম, এতে দোষের কিছু নাই। এখন বাকি কাজটুকু আপনে সাইরা ফেলান।"
Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel)
on
March 25, 2026
Rating:





.jpg)
No comments: